ইমামের পালটা বেয়ারস্টোর ব্যাটে ঝড়, ৬ উইকেটে জয় ইংল্যান্ডের

রূপসী বাংলা স্পোর্টস ডেস্ক : বাটলারের ব্যাটে তান্ডবের পর রোজ বোলে দ্বিতীয় ম্যাচে ফখহরের অনবদ্য শতরানেও শেষরক্ষা হয়নি। সিরিজের তৃতীয় ম্যাচেও চিত্রটা বদলালো না। ওপেনার ইমাম উল হকের ১৫১ রানের ইনিংসেও জয় অধরা থেকে গেল পাকিস্তানের। লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে ওপেনার জনি বেয়ারস্টোর দুরন্ত শতরানে ভর করে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড। তৃতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ড জিতল ৬ উইকেটে।

ব্যাটসম্যানদের ব্যাট থেকে ৭টি শতরান এলেও এই নিয়ে টানা ৭টি ওয়ান-ডে ম্যাচে হার পাকিস্তানের। বিশ্বকাপের আগে স্বভাবতই চিন্তার ভাঁজ পাক থিঙ্ক-ট্যাঙ্কের কপালে। প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ার পর হাই-স্কোরিং দ্বিতীয় ওয়ান-ডে ম্যাচে ১২ রানে জয় তুলে নিয়েছিল ইংরেজরা। ব্রিস্টলে মঙ্গলবার সিরিজের তৃতীয় ম্যাচও হল হাই-স্কোরিং। প্রথমে ব্যাট করে আয়োজক ইংল্যান্ডকে এদিন ৩৫৯ রানের কঠিন লক্ষ্যমাত্রা ছুঁড়ে দেয় পাকিস্তান।

ব্যাট হাতে এদিন দুরন্ত দেড়শত রানের ইনিংস খেলেন ওপেনার ইমাম উল হক। মূলত তাঁর ১৩১ বলে ১৫১ রানের ইনিংসে ভর করেই রানের পাহাড় গড়ে এশীয় শক্তিটি। ইমামের ইনিংস এদিন সাজানো ছিল ১৬টি চার ও ১টি ছক্কায়। এছাড়াও আসিফ আলির অর্ধশতরান (৫২), হ্যারিস সোহেলের ৪২ রানের ইনিংস ইংল্যান্ডকে বড় রানের টার্গেট দিতে সাহায্য করে। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ৩৫৮ রান তোলে পাকিস্তান। ইংল্যান্ডের হয়ে বল হাতে এদিন সবচেয়ে সফল ক্রিস ওকস ৬৭ রানে তুলে নেন ৪ উইকেট।

জবাবে দুই ইংরেজ ওপেনার জেসন রয় ও জনি বেয়ারস্টোর বিধ্বংসী ওপেনিং পার্টনারশিপ কাজ সহজ করে দেয় বাকি ব্যাটসম্যানদের। ১৭.৩ ওভারে ১৫৯ রানের মাথায় প্রথম উইকেট হারায় ইংরেজরা। রয় ৫৫ বলে ৭৬ রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরলেও রোখা যায়নি বেয়ারস্টোকে। আইপিএলের খুনে মেজাজেই এদিন পাক বোলারদের ‘বধ’ করেন তিনি। জো রুটকে সঙ্গে নিয়ে কেরিয়ারের ষষ্ঠ শতরানটি তুলে নেন তিনি। তাঁর ৯৩ বলে ১২৮ রানের অনবদ্য ইনিংসে ছিল ১৫টি চার এবং ৫টি ছয়।

বেয়ারস্টো ফিরে যাওয়ার পর রানের গতি বজায় রেখে দলকে লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছে দেন জো রুট, বেন স্টোকস কিংবা মইন আলিরা। রুট ৪৩ ৩বং স্টোকস ৩৭ রানে আউট হলেও অধিনায়ক মর্গ্যানকে নিয়ে দলকে লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছে যান মইন আলি। ৩৬ বলে ৪৬ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। অধিনায়ক মর্গ্যান অপরাজিত থাকেন ১৭ রানে। মাত্র ৪৪.৫ ওভারেই পাহাড়প্রমাণ ৩৫৯ রানের লক্ষ্যমাত্রা হাসিল করে নেয় আয়োজক ইংল্যান্ড। একইসঙ্গে ৫ ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় তারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *