জেসী’স কিচেন

জেসমিন রাশিদ জেসী

 

 

রান্না ঘরের প্রয়োজনীয় কিছু টিপস: (পর্ব – ২)

 

রূপসী বাংলা ডেস্ক:  আজ আমি আপনাদের জন‌্য আরও কিছু প্রয়োজনীয় টিপস নিয়ে এসেছি আশা করি আজকের এবং গত র্পবের টিপসগুলো আপনাদের উপকারে আসবে–

 

 

 

প্রয়োজনীয় টিপস:-

৪১) মাংস রান্নার সময় প্রথমেই লবণ দেবেন না। মাংস রান্নার মাঝামাঝি সময়ে লবণ দিয়ে ভালভাবে নাড়ুন। এরপর দেখে নিন পরিমান ঠিক হল কিনা।

৪২) বেরেস্তা করার সময় পেঁয়াজ ভেজে নামানোর আগে সামান্য পানি ছিটিয়ে দিন। তাড়াতাড়ি লালচে হবে।

৪৩) মাছ রান্না করে হাতের কাছে কাঁচা ধনিয়া পাতা থাকলে তা কুচি করে কেটে ছিটিয়ে দিন, স্বাদ বেড়ে যাবে।

৪৪) মাংস জাতীয় রান্না করে শেষে বেরেস্তা দিয়ে দিন। স্বাদ বেড়ে যাবে।

৪৫) যদি তেলাপিয়া মাছে কোন গন্ধ থাকে তবে তেলাপিয়া মাছ হলুদ ও ভিনিগার/লেবুর রস মাখিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে নিলে গন্ধ থাকেনা।

৪৬) পরের দিন রান্না করার জন্য মাংস সেদ্ধ এবং ঠান্ডা করে ফ্রিজে সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন। এতে রান্নায় সময় কম লাগবে।

৪৭) শিশি বা কৌটোর মধ্যে বিস্কুট রাখার আগে সামান্য চিনি বা মোটা কাগজের ঠুকরো রেখে দিলে বিস্কুট অনেকদিন মচমচে থাকে।

৪৮) চিকেন ফ্রাই, চিকেন রোল—এসব খাবার অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে মুড়িয়ে রাখলে সহজে নষ্ট হয় না।

৪৯) আচারে তেল কম হলে যদি বাড়তি তেলের প্রয়োজন হয় তাহলে বাড়তি তেল টুকু ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করে দিলে গন্ধ হয় না।

৫০) দেশলাই বাক্সে কয়েকটা শুকনো চাল রেখে দিলে বর্ষাকলেও দেশলাই কাঠির বারুদ ভাল থাকে।

৫১) রান্নাঘরে কাগজ পোড়া ধোঁয়া দিলে মাকড়সার উৎপাত কমে যাবে।

৫২) আচার তৈরি করার সময় তেলে একটু ভিনিগার মিশিয়ে নিলে আচার অনেকদিন ভালো থাকে।

৫৩) পরের দিন রান্নার জন‌্য সবজি পরিষ্কার করে কেটে প্যাকেটজাত করে রেফ্রিজারেটরে রাখতে পারেন। এতে সময় কম ব্যয় হবে।

৫৪) বাড়তি বাটা মশলা সামান্য তেল ও লবণ মাখিয়ে রেখে দিলে কয়েকদিন পরও ব্যবহার করা যায়।

৫৫) কাঁচা মুগডাল ভেজে পানি দিয়ে ধুয়ে নেবেন, তাহলে ডালের রঙ আর কালো হবে না। ধুয়ে রান্না করলে ডালটাকে দেখতে উজ্জ্বল দেখাবে।

৫৬) সবুজ সবজি রান্না করতে চাইলে এক চিমটি চিনি দেন। দেখবেন সবজি কেমন সবুজ দেখাচ্ছে।

৫৭) মাংস তাড়াতাড়ি সেদ্ধ করতে চাইলে খোসাসহ এক টুকরো কাঁচা পেঁপে দিন।

৫৮) ডাল যত বেশি জ্বাল দিবেন ( বাগারের আগে )এর স্বাদ ততই বেড়ে যাবে। ডালে অবশ‌্যই রসুন কুচি তেলে ভেজে বাগার দিতে হবে।

৫৯) এলাচ সম্পুর্ণ গুড়ো করে ব্যবহার করা ভাল। গোটা এলাচ কামড়ে পড়লে খাওয়ার মজাই নষ্ট হয়ে যায়। আবার এলাচ ভালো করে না ফাটালে তো সুগন্ধই হবেনা।

৬০) সিরকা ও সোডিয়াম বেনজোয়েট দিলে আচার দীর্ঘদিন ভালো থাকে।

৬১) খানিকটা কর্পূর ছিটিয়ে দিলে ছারপোকার উপদ্রব থাকবে না।

৬২) রেফ্রিজারেটরে সংরক্ষিত খাবার দ্রুত গরম করতে মাইক্রোওয়েভ ওভেন ব্যবহার করুন।

৬৩) খাবার বেশিক্ষণ গরম রাখার জন্য হটপট বা তাপ অপরিবাহী পাত্র ব্যবহার করুন।

৬৪) ওল, কচু অথবা কচুশাক রান্না করলে তাতে কিছুটা তেঁতুল ব্যবহার করবেন। খাবারের সময় কিছুটা লেবুর রস মিশিয়ে নিন, তাহলে গলায় আর চুলকানোর কোনো ভয় থাকবে না।

৬৫) রান্নাতে খাদ্যমান ঠিক রাখতে যতটুকু সম্ভব তরকারি বড় বড় টুকরা করে কেটে নিন।

৬৬) ফ্রিজের মধ্যে আঁশটে গন্ধ এড়াতে ফ্রিজে এক টুকরো কাঠ কয়লা রেখে দিন। আঁশটে গন্ধ থাকবে না।

৬৭) মাছ ভাজার সময় তেল ছিটলে একটু লবণ ছড়িয়ে দিন। তেল আর ছিটবে না।

৬৮) আঙ্গুর, টমেটো প্রভৃতি ফল ফুটন্ত পানিতে দু’মিনিট রেখে সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা পানিতে রেখে সহজেই খোসা ছড়ানো যায়।

৬৯) রান্না পুড়ে পাত্রের তলায় এঁটে গেলে পাত্রটিকে লবণ / বেকিং সোডা মেশানো পানিতে ভর্তি করে পানি ফুটালে পোড়া অংশ আলগা হয়ে উঠে যাবে।

৭০) ঘরের বাইরে খাবার নিতে হলে যদি সাধারণ টিফিন বাক্স ব্যবহার করা হয় তাহলে খাবার বাতাসে ঠান্ডা করে নিতে হবে। কখনোই গরম খাবার বাক্সে নেওয়া যাবে না, এতে খাবার গন্ধ হয়ে যেতে পারে।

৭১) রেফ্রিজারেটর ঘন ঘন খুললে ও বন্ধ করলে ভেতরে বাতাস ঢুকে খাবার নষ্ট হয়ে যেতে পারে এবং বিদ্যুৎ খরচ হয় বেশি। তাই বারবার না খুলে চেষ্টা করতে হবে রান্নায় যা যা লাগবে তা একবারে বের করে নেয়া।

৭২) সেমাই রান্নার আগে দেখে নিন। হালকা ভাজা হলে তেলে বা ঘিতে আবার ভেজে নিন। তাহলে রান্নার সময় সহজে গলে যাবে না।

৭৩) পোলাও বা খিচুড়ি অথবা চাইনিজ রাইস তৈরির জন্য চালে সামান্য তেল, পেঁয়াজ, লবণ ও সবজি মিশিয়ে রাইসকুকারে দিন। পাঁচ মিনিটে রান্না হয়ে যাবে আপনার সুস্বাদু মজাদার খাবার।

৭৪) চাল ধোয়া জলে স্টীল ও কাঁচের বাসন কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রেখে তারপর ধুয়ে নিলে বাসনগুলো ঝকঝক করবে।

৭৫) রান্না করা খাবার রেফ্রিজারেটরে রাখার আগে বাতাসে ঠান্ডা করে নিতে হবে। গরম খাবার রাখলে রেফ্রিজারেটর নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

৭৬) রান্নার সময় হাতে হলুদের দাগ হলে, আলুর খোসা ছাড়িয়ে হাতে ঘষে ধুয়ে নিলে আর হলুদের দাগ থাকে না।

৭৭) কেক বানাতে যদি ডিমের পরিমাণ কম থাকে তাহলে ভয় পাবেন না। কর্ণফ্লাওয়ার ব্যবহার করবেন। দেখবেন ডিমের ঘাটতি পূরণ হয়ে গেছে।

৭৮) খেজুরের গুড় দিয়ে পায়েস করতে গিয়ে অনেক সময় দুধটা ফেটে যায়। দুধ ঘন হয়ে গেলে নামিয়ে একটু ঠান্ডা করে তারপর গুড় মেশাবেন। ভালো করে নেড়ে আবার কিছুটা ফুটিয়ে নেবেন, দেখবেন রঙটাও সুন্দর হয়েছে আবার সুন্দর ঘ্রাণ বের হচ্ছে। দুধ ফাটার ভয়ও থাকবে না।

৭৯) রান্নাঘর আর খাবার ঘরে মাছির উপদ্রব এড়াতে নিমপাতার গোছা কয়েকটি স্থানে রেখে দিন।

৮০) ফ্রোজেন খাবার ( যেমন-চপ,রোল,পুরি ইত‌্যাদি )তেলে ভাজার আগে নরমাল করে নিতে হবে।এতে তেল ছিটার ভয় থাকেনা আবার ঠিকমত ভাজাও হবে।

 

***মজাদার সব খাবার পেতে ভিজিট করুন***

https://foodpeon.com/kitchen/4018

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *