টাকা ফেরত আনতে গিয়ে ধর্ষনের শিকার

রূপসী বাংলা কলকাতা ডেস্ক: আবারও গণধর্ষণের ঘটনা লখনউতে। চাকরির নাম করে আটকে থাকা টাকা ফেরত আনতে গিয়ে ধর্ষনের শিকার হন লখনউয়ের মলিহাবাদের বাসিন্দা ওই তরুনী। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে লখনউয়ের বিভূতি খাদে। চলতি গাড়িতে তরুণীকে ধর্ষণ করে তেলিবাগ রোডে তাকে ফেলে রেখে যায় দুষ্কৃতিরা বলে অভিযোগ। বর্তমানে চিকিৎসাধীন ওই তরুণী। অভিযুক্ত চার জনের নামেই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত এক বছর আগে। চাকরি দেওয়ার নাম করে তরুণীর কাছ থেকে ৫০,০০০ টাকা নেয় তরুণীর পরিচিত বাবলু ও কাশীরাম। কিন্তু টাকা নেওয়ার পর থেকেই বিভিন্নভাবে তাকে ঘোরাতে তাকে বলে অভিযোগ। অবশেষে অবস্থা বেগতিক দেখে চাকরির আশা ত্যাগ করে বাবলু – কাশীরামের কাছ থেকে টাকা ফেরত চান তরুণী। টাকা ফেরত দেওয়ার নাম করে তাকে ডেকে পাঠান হয় বিভূতি খাদে। সেখানেই তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ তরুনী।

বাব লু , কাশীরাম ছাড়াও আরও ২ জন তার ওপর পাশবিক অত্যাচার করে বলে জানান তরুণী। অভি যুক্ত রা সকলেই তার পরিচিত হওয়ায় প্রত্যেককেই চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। বাবলু, কাশীরাম ছাড়াও হরিশ এবং জে পি গুপ্ত নামে আরও দুই অভিযুক্তের নামেও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তরুণী জানান, বাবলুর কথা মত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিভূতি খাদে যেতেই, তাকে চলতি গাড়িতে টেনে তুলে লখনউয়ের শহিদ পাথে চলে যায় তারা। চার জন মিলে ১ ঘণ্টা ধরে তাকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পরে তাকে ফেলে রেখে যায় তেলিবাগ রোডে। সেখান থেকে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

২০১৩ সালে তরুনীর বাবা পুলিশের চাকরি থেকে অবসর নেন। খোদ পুলিশ আধিকারিকের মেয়ের সঙ্গে এই ঘটনা ঘটায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *