জাতিসংঘ

দেশে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ কার্যক্রম রাষ্ট্রীয় নীতির মাধ্যমে পরিচালিত: রাবাব ফাতিমা

জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা বলেছেন, বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় নীতির মাধ্যমে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

নিউইয়র্কে ‘বিদ্যমান অসমতা : এসডিজি’র কার্য-দশকে সকলের জন্য বর্ণবাদ, জাতিগত বিদ্বেষ ও বৈষম্য দূরীকরণ’ শীর্ষক অর্থননৈতিক ও সামাজিক কাউন্সিলের (ইকোসক) উচ্চপর্যায়ের বিশেষ সভায় বক্তৃতাকালে তিনি শুক্রবার একথা বলেন।

রাবাব ফাতিমা বলেন, কোভিড-১৯ এর সংকটে সবচেয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে অভিবাসী শ্রমিকগণ। এটি সমাজ ব্যবস্থায় বিদ্যমান অসমতা ও বৈষ্যমেরই প্রকাশ। পশ্চাদপদ মানুষের জন্য কর্মসংস্থানসহ অন্যান্য সুযোগ তৈরি করা খুবই প্রয়োজন।

তিনি বলেন, কোভিড-১৯ এর ফলে বিশ্বজুড়ে বর্ণবাদ, জাতিগত বিদ্বেষ, বিদ্বেষপ্রসূত বক্তব্যের প্রভাবসহ ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক দুরাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ‘কেউ পিছে পড়ে থাকবে না’ এই লক্ষ্য অর্জনে কোভিড-১৯ এর মোকাবিলার বিষয়টিকে অবশ্যই সামগ্রিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করতে হবে।

সমতা ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতির উদাহরণ টেনে রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বাংলাদেশে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ-পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

বাংলাদেশের জিডিপি’র প্রায় ৩ দশমিক ৭ ভাগের সমান ১৯টি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণার বাইরেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যেখানে নারী, অতিদারিদ্র্য, ভাসমান জনগোষ্ঠী, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ও অন্যান্য দুর্দশাপীড়িত জনগোষ্ঠীর প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দেয়া হয়েছে।

অংশীজনদের আন্তরিক ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা গ্রহণের মাধ্যমে তিনি দারিদ্র্য, সহিংসতা, বৈষম্য, বর্জন এবং শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের অভাবসহ অসমতার মূল কারণগুলো সমাধান করার আহ্বান জানান।

ইকোসকের সদস্য রাষ্ট্রসমূহের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীসহ উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি, সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিবর্গ এতে অংশগ্রহণ করেন।❐

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

Adblock Detected

Please, Deactivate The Adblock Extension