নারিনের না থাকাই তফাৎ গড়ে দিল, স্বীকারোক্তি নাইট অধিনায়কের

রূপসী বাংলা স্পোর্টস ডেস্ক : হারের কোনও অজুহাত হয় না৷ তবে পরাজয়ের কারণ থাকে নিশ্চিত৷ নিজেদের ডেরায় দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে আত্মসমর্পণ করার পর নাইট অধিনায়ক দীনেশ কার্তিক কোনও অজুহাত খাড়া করলেন না৷ তবে ময়নাতদন্তে হারের কারণ খুঁজতে গিয়ে দু’টো বিষয়কে সামনে আনলেন তিনি৷ প্রথমত, স্কোর বোর্ডে পর্যাপ্ত রান তুলতে না পারা৷ দ্বিতীয়ত, অভিজ্ঞ সুনীল নারিনের দলে না থাকা৷

ম্যাচের আগে দাদা বনাম শাহরুখের অঘোষিত দ্বৈরথ ছাড়াও ইডেনের পিচ নিয়েও আলোচনা হয়েছে বিস্তর৷ দিল্লির মেন্টর হয়ে সিএবি প্রেসিডেন্ট নাকি ইডেনের পিচ তৈরিতে প্রভাব খাটাতে পারেন, এই মর্মে বোর্ডের কাছে চিঠিও চলে যায় শহরের জনা কয়েক স্বঘোষিত ক্রিকেট অনুরাগীর তরফে৷ ম্যাচের ঠিক আগের দিন বাইশগজে সবুজ ঘাসের বহর দেখে বলাবলি শুরু হয়ে যায় যে, দিল্লি ম্যাচে পেসারদের স্বর্গরাজ্য হতে চলেছে ইডেন৷ ম্যাচে অবশ্য তেমন একটা আগুনে বোলিং চোখে পড়ল না৷ বরং পেসাররা রান বিলোলেন দেদার৷ দিল্লির চার পেসার ১৬ ওভারে খরচ করেছেন ১৪৭ রান৷ কলকাতার চার পেসার ১০ ওভারে দিয়েছেন ১০৪ রান৷

অভিজ্ঞ ইশান্ত শর্মার প্রথম ওভার ছাড়া বলের তেমন নড়াচড়াও চোখে পড়েনি৷ সাম্প্রতিক কালে ইডেনের পিচে বাউন্স অবশ্য বরাবরই চোখে পড়েছে৷ এই ম্যাচেও ব্যতিক্রম হয়নি৷ গতি ও বাউন্সি পিচে ব্যাটসম্যানরাও যে সুবিধা পেতে পারে, সে কথাটা আর ক’জন মাথায় রাখে৷ ঠিক এখানেই ভুল করে ফেলে নাইটরা৷ অসুস্থতার অজুহাতে সুনীল নারিনকে বসিয়ে ব্রাথওয়েটকে খেলাতে চাওয়ার ফর্মুলা শেষ পর্যন্ত ফলপ্রসু হয়নি৷

ম্যাচের শেষে পিচ নিয়ে কোনও অভিযোগের রাস্তায় হাঁটেননি কার্তিক৷ তিনি স্পষ্ট জানান, ‘পিচে আলাদা কিছু ছিল না৷ বরং ব্যাটিং পিচে আমরা স্কোর বোর্ডে যথেষ্ট রান তুলতে পারিনি৷ অন্তত আরও ১০-১৫ রান তোলা উচিত ছিল আমাদের৷ ব্যাটে বল আসছিল৷ আউটফিল্ড অত্যন্ত দ্রুত৷ এই অবস্থায় বাউন্ডারি আসবে স্বাভাবিক৷ আমাদের কিছু রান কম হয়ে যাওয়াতেই বিপত্তি৷’

পরে নারিনের না থাকা নিয়ে কার্তিক আক্ষেপ, ‘সানির (সুনীসল) না থাকাটা তফাৎ গড়ে দিল৷ ও ব্যাটে-বলে সমান অবদান রাখতে পারে৷ তাছাড়া ও অভিজ্ঞ৷ চাপের মুখে মাথা ঠাণ্ডা রাখতে পারে৷ এই বিষয়গুলো দলকে সবসময় সাহায্য করে৷’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *