প্রবাসী নাগরিক সমাজের প্রতিবাদ সভায় সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার প্রত্যয়

রূপসী বাংলা প্রবাস ডেস্ক:মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় চলবে বাংলাদেশ। বাংলাদেশকে সাম্প্রায়িকতা বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন দুর্নীতি এবং ক্যাশিনোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন, ঠিক সেই সময় সাম্প্রদায়িক শক্তি আবারো ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। সেই ষড়যন্ত্র আমাদের ঐক্যবদ্ধ থেকে প্রতিহত করতে হবে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। গত ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসের ড্রাইভার সিটিপ্লাজায় প্রবাসী নাগরিক সমাজ আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় বক্তারা এ সব কথা বলেন। ভোলায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর হামলার প্রতিবাদে এই সভার আয়োজন করা হয়।

সাংবাদিক মুজাহিদ আনসারির পরিচালায় প্রতিবাদ ও সম্প্রীতির সভায় বক্তব্য রাখেন প্রবীন সাংবাদিক সৈয়দ মোহাম্মদ উল্যাহ, ঠিকানার প্রধান সম্পাদক মুহম্মদ ফজলুর রহমান, অধ্যাপিকা হুসনে আরা বেগম, সাংবাদিক নিনি ওয়াহেদ, জাকির হোসেন বাচ্চু, স্বীকৃতি বড়–য়া, নূরে আলম গেদু, রেজাউল বারী, সৈয়দ জাকির আহমেদ, সুব্রত বিশ্বাস, সরাফ সরকার, খোরশেদুল ইসলাম, শাহীন আজমল, ফাহিম রেজা নূর, প্রবীর রায়, গোপাল স্যান্যাল প্রমুখ।

প্রতিবাদ সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সঞ্জিবন কুমার সরকার, শুভ রায়, জাকির হোসেন বাবু, সুশীল সাহা, দীণেষ চন্দ্র মজুমদার, শিতাংশু গুহ, আব্দুল আলিম, বিশ্বজিৎ সাহা, মাহমুদ আজম, দীলিপ চক্রবর্তী, মাকসুদা আহমেদ, বিদুৎ দাস, সবিতা দাস, প্রতিমা সরকার, পপি ঘোষ, লিয়াকত আলী, মুক্তি সরকারসহ বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশী।
সৈয়দ মোহাম্মদ উল্যাহ বলেন, বর্তমান সময়ে ভয়াবহ সংকটে বাংলাদেশ। এই সংকটের সৃষ্টি করেছে বাংলাদেশ বিরোধী শক্তি। তারা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকেই ভুলিয়ে দেবার চেষ্টা করছে। তাদের এই ষড়যন্ত্র আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে। এই আন্দোলন আমাদের প্রবাস থেকেই শুরু করতে হবে।


মুহম্মদ ফজলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর থেকেই একটি গোষ্ঠি বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানানোর চেষ্টা করেছিলো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন বাংলাদেশে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান শুরু করেছেন, তারা মনে করেছিলো সরকার বা দলে সংকট শুরু হয়েছে। সেই সংকটকে কাজে লাগিয়ে দেশবিরোধী শক্তি আবারো ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তিনি বলেন, দেশ স্বাধীন করার জন্য ৩০ লাখ শহীদ জীবন দিয়েছে, ২ লাখ মা বোন ইজ্জত দিয়েছে, সেই দেশের মানুষ কখনো বাংলাদেশকে পাকিস্তান হতে দেবে না।


সৈয়দ জাকির হোসেন রনি বলেন, এই সংগ্রাম আমাদের দীর্ঘদিনের। আমরা অনেক থেকেই বলে আসছি ধর্মান্ধ শক্তিকে প্রতিহত করতে হবে। কিন্তু সরকারের একটি মহল ভোটের রাজনীতির জন্য তাদের সাথে সমঝোতা করে যাচ্ছেন। যে কারণেই বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক শক্তি মাথা ছাড়া দিয়ে উঠেছে। তিনি আরো বলেন, এখন সারা বিশ্বেই এই শক্তির উত্থান। যে কারণে সারা বিশ্ব অস্থির।
সুব্রত বিশ্বাস বলেন, এটা নতুন কোন ঘটনা নয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রামু, রংপুরে এই ধরনের ষড়যন্ত্র করা হয়। কিন্তু কারোরই বিচার হয়নি। যে কারণে একের পর এক হামলা হচ্ছে। তিনি বলেন, আগের ঘটনাগুলোর বিচার হলে আজ এই ঘটনা ঘটতো না। বিপ্লবকে জেলে যেতে হতো না। যে এই ঘটনা ঘটিয়েছে এক সেই জেলে যেত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *