ভারত সফরের আগে পম্পেওকে কাশ্মির নিয়ে চার সিনেটরের চিঠি

আগামী সপ্তাহে দু’দিনের ভারত সফরে আসছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
 
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভারত সফরের আগেই শীর্ষ চার মার্কিন সিনেটর কাশ্মীর নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওকে চিঠি দিয়েছেন ।
 
চিঠিতে সিনেটররা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
 
এ ছাড়া চিঠিতে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল ও ছয় মাসের বেশি ইন্টারনেট বন্ধ ছাড়াও রাজনৈতিক নেতাদের প্রতিরোধমূলক আটকে রাখার বিষয় তুলে ধরেন।
 
শীর্ষ চার মার্কিন সিনেটরদের দুজন ডেমোক্র্যাট এবং দুজন রিপাবলিকান।
 
সিনেটরদের সে চিঠিতে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত উপত্যকার অধিকাংশ জায়গায় ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রেখেছে ভারত সরকার। বিশ্বের আর কোনও গণতন্ত্রে এতদিন পর্যন্ত ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার নজির নেই। এতে ৭০ লাখ মানুষের জীবনে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে। বিঘ্নিত হচ্ছে চিকিৎসা পরিবেষা, ধ্বংস হচ্ছে ব্যবসা বাণিজ্য, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিক্ষাব্যবস্থাও।
 
পররাষ্ট্রমন্ত্রী পম্পেওকে যারা ওই চিঠি দিয়েছেন তাদের মধ্যে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত লিন্ডসে গ্রাহাম রয়েছেন।
 
তিনি বলেন, ভারত সরকার যে পদক্ষেপ নিয়েছে, তাতে নির্দিষ্ট ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকার এবং রাষ্ট্রের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র হুমকির মুখে ফেলেছে। এর মধ্যে সিএএ আইন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
 
চিঠিতে সিনেটররা আরও বলেন, প্রধান রাজনৈতিক ব্যক্তিদের পাশাপাশি শত শত কাশ্মিরি প্রতিরোধমূলক আটক হয়ে রয়েছেন। এ সব কার্যকলাপের পরিণতি গুরুতর হতে পারে।
 
বিশেষ মর্যাদা বিলোপের পর রাজনৈতিক কারণে কাশ্মিরে ঠিক কতজনকে বন্দি করে রাখা হয়েছে, যোগাযোগের মাধ্যমগুলো কতটা সক্রিয়, স্বাধীন পর্যবেক্ষক, কূটনীতিক এবং বিদেশি সাংবাদিকরা আদৌ সব জায়গায় যেতে পারছেন কি না, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে সেই সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট প্রকাশ করার জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন ওই সিনেটররা।
 
কাশ্মিরের পরিস্থিতি নিয়ে দ্বিতীয় দফায় উপত্যকায় এসেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যসহ একটি আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদল। জম্মু ও কাশ্মিরের পরিস্থিতি দেখার পাশাপাশি দেশে সিএএবিরোধী বিক্ষোভের পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আগেও ট্রাম্প প্রশাসন উভয় ইস্যু নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
 
 
 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *