প্রতিক্রিয়ামুক্তমতযুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগকে বলছি

মুবিন খান

ইকবাল বলল, ‘দোস্ত, তুই আমার একটা লেখা বাংলায় অনুবাদ করে দিবি।’

আমি ওপর নিচ হ্যাঁ বোধক মাথা নাড়ি। করে দিব। ইকবাল আমাকে তার লেখা পাঠালো। লেখা শুরু দার্শনিক প্লেটোর বাণী দিয়ে; ‘প্লেটো সেইড, লাইফ মাস্ট বি লিভড্ অ্যাজ প্লে।’

আমি বাংলায় অনুবাদ করলাম, ‘জীবনকে অবশ্যই খেলাধুলার ন্যায় যাপন করতে হবে।’

ইকবালকে খুব হতাশ দেখাল। হতাশ মুখে করুণ একটা হাসি ফুটিয়ে ইকবাল বলল, ‘দোস্ত, এইখানে প্লে শব্দটা খেলাধুলা না, এই প্লে হইল নাটক। রঙ্গমঞ্চ।’

আমি আবারও দ্রুত  হ্যাঁ বোধক মাথা নাড়ি। ইকবালকে বলি, ‘দোস্ত, আমি একবার নাটকের কথা ভাবছিলাম, বলি নাই।’

অনুবাদের এইরকম দশা হলে অনুবাদ করতে দেওয়ার কথা নয়। হয়ত রক্ষা পাওয়া যাবে। কিন্তু ইকবাল ছাড়ে না। বলে, ‘এইটা ঠিক কর। রঙ্গমঞ্চ লেখ।’

আমার মুখ শুকিয়ে যায়। ইংরেজি ভাষায় রচিত সুদীর্ঘ একটা রচনা ধৈর্য্যহীন আমাকে ধৈর্য্য ধরে পড়তে হবে। শুধু পড়লে চলবে না, সেটা বাংলা ভাষায় অনুবাদ করে লিখে ফেলতে হবে। আমি দীর্ঘশ্বাস ফেলি।

আচ্ছা জীবনকে যদি খেলাধুলা বলা হয়, তাহলে কি খুব একটা ভুল বলা হবে? এইত সেদিন নিউ ইয়র্কের রাস্তায় যুব লীগের দুটা গ্রুপ মারামারি করল। এনওয়াইপিডি সে মারামারির খবর পেয়ে এসে তিনজনকে গ্রেফতার করে ফেলল।  যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ সম্পাদকমণ্ডলীর এক সদস্য বিষয়টাকে পাত্তা দিলেন না। সাংবাদিকদের বললেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষ্যে যুবলীগের যুবারা নাকি শো ডাউনের প্রতিযোগিতায় সামান্য মারপিটের ঘটনা ঘটিয়েছে। যেন মারপিট নয়, যুবারা ম্যাচ খেলতে গিয়ে গায়ে মাথায় ধুলা মেখেছে।

এনওয়াইপিডি যে তিনজনকে গ্রেফতার করে নিয়ে গেছে, তাদেরকে ছাড়িয়ে আনার কথা বলতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ সম্পাদকমণ্ডলীর ওই সদস্যটি বলেছেন, ‘এটা কোনও ঘটনা না।’ ভদ্রলোক কি লিভড্ অ্যাজ প্লে’ অনুসরণ করছেন? তার কথার সুরে ব্যাপারটাকে খেলাধুলা মনে হচ্ছে না? এবং মনে হচ্ছে না এমনটা যে ঘটবে সেটা যেন আগে থেকেই জানতেন, কেননা এমনটা প্রায়ই ঘটে থাকে! নাকি তিনি ‘রঙ্গমঞ্চ’-এ আস্থাবান?

কথা হল, আমেরিকানরা তো আর বিএনপি-আওয়ামী লীগের রাজনীতি করবে না, করলে বাংলাদেশের লোকেরাই করবে। তো যুবলীগের বা যুবদলের এইসব যুবকেরা বাংলাদেশ থেকে নিশ্চয়ই রাজনীতি করার লক্ষ্য নিয়ে আমেরিকায় যান নাই। গিয়েছেন জীবীকার সন্ধানে, গিয়েছেন লেখাপড়া করতে। সেসব হয়ত করছেনও। সেসবের সঙ্গে এখন যুক্ত করে নিয়েছেন রাজনীতি। নিশ্চয়ই যুক্ত করবেন। দেশের কল্যাণে ও উন্নয়নে সেবাধর্মী রাজনৈতিক দলসমূহের নীতি ও আদর্শই হল রাজনীতি। কিন্তু সেখানেও গিয়েও তারা বাংলাদেশের দলীয় রাজনীতির বাইরে যেতে পারেন নি। নিজেদের অভ্যন্তরীন কোন্দলের বাইরে যেতে পারেন নি। সেখানে তারা বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির ধারাটিও সঙ্গে করে নিয়ে গেছেন। ফলে স্থানীয় পত্রিকায় শিরোনাম হয়, সভাপতি নিজেই নিজ দলের কর্মীদের এনওয়াইপিডি ডেকে ধরিয়ে দিয়েছে।

এই প্রসঙ্গে আমার বন্ধু ইকবাল বাহারের নিউ ইয়র্কে বিএনপি-আওয়ামী লীগের রাজনীতি অবলোকনের অভিজ্ঞতাটা আপনাদের একটু বলি। এইচএসসি করেই ইকবাল আমেরিকায় পাড়ি জমিয়েছিল। শুরুতে গেল নিউ ইয়র্ক। নব্বইয়ের দশকে উইনকনসিনে লেখাপড়া করতে থাকা ছেলেমেয়েদের জন্য চাকরি বাকরির সুযোগ খুব সীমিত ছিল।

কিন্তু নিউ ইয়র্কের চিত্রটা তখন একেবারেই উল্টো। ইকবাল নিউ ইয়র্কে যাওয়ার পর দেখল বাংলাদেশের ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করার ভিসা নিয়ে ওখানে গেলেও স্কুলে তাদের উপস্থিতি খুবই কম। যেন তারা হীরক রাজার ‘বিদ্যা লাভে লোকসান, নেই অর্থ নেই মান’ কিংবা ‘লেখাপড়া করে যেই, অনাহারে মরে সেই’ বাণীতে আস্থাশীল হয়ে উঠে সকলেই চাকরি করছে। কেউ কেউ আবার একসঙ্গে দু তিনটা চাকরিও করছে।

ওসব ছেলেমেয়েরা পুরো সময়টাই শুধু বাসা থেকে কাজ আর কাজ থেকে বাসা করে কাটাত। কাজের বাইরে নিজেদের যেটুকু সময় বাঁচত, তারা সেটা তাস পেটাতে, বিয়ার খেতে আর ছুটির দিনগুলোয় আওয়ামী লীগ-বিএনপির রাজনীতি করতে খরচ করত।

সময়টা ‘৯৩ সাল। তখন বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় বিএনপি। ফলে বিএনপির রাজনীতির খুব জয় জয়কার। তখনই ইকবাল বিএনপি নোয়াখালী গ্রুপ আর বিএনপি সিলেট গ্রুপের মারামারি দেখেছিল। অথচ তাদের নিজেদের রাজনৈতিক আদর্শ এক। তবু তারা জেলাভিত্তিক দলাদলিতে বিভাজিত। অথচ নিজেরা কিন্তু পাশাপাশি অ্যাপার্টমেন্টেই থাকত।

ইকবাল বলছিল, বাঙালি সম্প্রদায়ের আশেপাশে পরিবেশ এতটাই ভয়াবহ ছিল যে ছয় মাসের মধ্যেই ইকবালকে বাধ্য হয়ে নিউ ইয়র্ক ছেড়ে টেক্সাস চলে যেতে হয়েছিল। ইকবালের ভাষায়, ‘আমি যতদূর সম্ভব ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষদের কাছ থেকে দূরে সরে গিয়েছিলাম।’

প্রথমে ইকবাল গেল টেক্সাসের গ্রিপেভিন, তারপর সেখান থেকে অস্টিন, সেখানেই ও ওর স্কুলের লেখাপড়া শেষ করেছে। ইকবালের ভাষায়, ‘আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল, টেক্সাস যাওয়ার পর প্রায় এক যুগ আমি বাঙালি দেখিও নাই বা কারও সঙ্গে দেখাও করি নাই।’ বলেই ইকবাল হাহা করে হাসতে শুরু করল।

কুলাউড়ায় ব্যাডমিন্টন খেলাকে কেন্দ্র করে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সংঘর্ষের মত, কিংবা নোয়াখালীর সদর উপজেলার দাদপুরে ব্যানারে বঙ্গবন্ধুর ছবির নিচে স্থানীয় এক নেতার ছবি না দেওয়ায় যুবলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, অথবা আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা হিরাডাঙ্গা গ্রামে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষর মতোই নিউ ইয়র্কের রাস্তায় যুবলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, গ্রেফতার ৩। উন্নয়নশীল দেশ বাংলাদেশের নাগরিকেরা পৃথিবীর অন্যতম উন্নত দেশ আমেরিকায় বাস করেও গুণগত মানের দিক থেকে কুলাউড়া, নোয়াখালী কিংবা ঝিনাইদহর সঙ্গে তাদের কোনও ভেদ নেই।

একটু ভাবুন তো যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ সম্পাদকমণ্ডলীর ওই সদস্যটি ‘শো-ডাউনের প্রতিযোগিতায় সামান্য একটু মারপিটের ঘটনা ঘটেছে’ বলে আসলে কি বোঝাতে চাইলেন? আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী মারপিট করতে পারা যুবাদের অধিক গুরুত্ব দেন? যারা মারপিট ভালো করতে পারবে তাদের পুরষ্কৃত করেন? আমি জানি না। যেমন জানি না এরকম ভয়াবহ মন্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পরও ওই ভদ্রলোক এখনও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ সম্পাদকমন্ডলীর সদস্যটি তার পদে বহাল রয়েছেন কিনা?

গেল মাসে ইকবাল বাহার ডিস্ট্রিক ১৩-র নিউ ইয়র্ক স্টেট সিনেট প্রার্থী জেসিকা  র‍্যামোসের নির্বাচনী খবরে জেসিকা  র‍্যামোসের জবানীতে লিখেছিলেন, ‘অভিবাসী সম্প্রদায়গুলো  নিউইয়র্ক শহরে রয়েছে বলেই আজ নিউ ইয়র্ক শহর এতটা শক্তিশালী।’ পরে নির্বাচনী প্রচারণায় জেসিকাকে আমরা বাঙালি কম্যুনিটির সঙ্গেও দেখেছি। একজন সিনেট প্রার্থীর সঙ্গে আমাদের মানুষদের সদ্ভাব দেখে আমাদের খুব ভালো লেগেছে। জেসিকা র‍্যামোস নির্বাচিত হয়েছেন।

আমার খুব জানতে ইচ্ছে করছে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ সম্পাদকমন্ডলীর ওই সদস্যটি সে রাতে গ্রেফতার হওয়া তিনজন যুবলীগ নেতাকর্মীকে ছাড়িয়ে আনতে জেসিকা র‍্যামোসের কাছে গিয়ে ‘তদবির’ করেছিলেন কিনা। যদিও উন্নয়শীল বাংলাদেশের এই সংস্কৃতি উন্নত আমেরিকায় থাকবার কথা নয়, তবে কিছুই বলা যায় না। রাজনীতি বলতে যারা পেশীশক্তি প্রদর্শন বোঝেন, পেশীশক্তিকে সমর্থন করেন, তাদের সম্পর্কে কিছুই বলা যায় না। ফলে পৃথিবীর আরেক প্রান্তে গিয়েও, ভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশ আর সমাজ ব্যবস্থার ভেতরে বসবাস করেও কুলাউড়া, নোয়াখালী কিংবা ঝিনাইদহর রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে এরা বেরুতে পারেন নি। পারেন নি বলেই নেত্রীর আগমনের সংবাদে আপন দলের নেতাকর্মীদের তৃতীয় শ্রেণীভূক্ত অসভ্য আচরণকে ‘শো ডাউন’ নামক খেলাধুলা বলে অভিহিত করতে পারেন, অভিহিত করে আরও উষ্কে দিতে উচ্চারণ করেন, ‘এটা কোনও ঘটনা না।’

এখন আপনারা আমাকে প্রশ্ন করতেই পারেন, আপনার এত মাথাব্যথা কেন?

শোনেন, আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীন বিষয়ে আমার কোনও মাথাব্যথা নাই। আপনারা আওয়ামী লীগ করেন, বিএনপি করেন, জাতীয় পার্টি করেন, এমন কি ইচ্ছা হলে রাজাকারের দল জামায়াত করেন, আমার কিছু যায় আসে না। আপনাদের আদর্শ নিয়ে আমার কোনও সমস্যা নাই। আপনাদের রাজনীতি নিয়ে আমার সত্যিই মাথায় কোনও ব্যথা নাই। আমার মাথাব্যথাটা নিউ ইয়র্ক জ্যাকসন হাইটসের রাস্তায় মারামারি। ভিডিওতে দেখেছি একদল যুবক মিছিলে স্লোগান দিতে দিতে এসে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। এর বর্ণনায় যেতে চাই না। কিন্তু জ্যাকসন হাইটসের অন্যান্য অধিবাসীরা, যারা বাঙালি নন, তারা কি ভাবছিলেন? তারা যদি বাঙালিকে ভব্যতাহীন হিংস্র, নৃশংস গোঁয়ার আর মূর্খ বলে অভিহিত করেন তবে এর দায়টা কে নেবে?

নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশের চার লক্ষ মানুষ বসবাস করেন। তারা কেন তথাকথিত যুবলীগের যুবকদের দায়ে ভব্যতাহীন হিংস্র, নৃশংস গোঁয়ার আর মূর্খ বাঙালি বলে গাল শুনবেন? এই চার লক্ষ মানুষের মাঝে এমন অনেক মানুষ আছেন যারা বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্য বহন করছেন, ধারণ করছেন, ছড়িয়ে দিতে চেষ্টা করছেন। তারা কেন যুবলীগের লজ্জার দায়ে মাথা নিচু করবেন?

প্রিয় প্রবাসী রাজনীতিকদের বলতে চাই, আপনারা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন। আপনাদের চলন-বলন-আচরণ থেকেই আমেরিকানরা, অন্য দেশের নাগরিকেরা সিদ্ধান্ত নেবেন বাংলাদেশের মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের বৈশিষ্ট্য হল, তারা অতিথিপরায়ণ জাতি। অতিথি এলে এ জাতির মানুষেরা নিজে না খেয়ে অতিথিকে খেতে দেয়। কেউ পানি খেতে চাইলে শুধু এক গ্লাস পানি এগিয়ে দেয় না, সঙ্গে কিছু না কিছু দেয়। রেস্তোরাঁয় চারজন একসঙ্গে খেতে গেলে খাওয়া শেষে চারজনের কেউ কাউকে খাবারের দাম পরিশোধ করতে দিতে চায় না।

বাংলাদেশের মানুষের সবচেয়ে বড় অর্জন একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধে বিজয়। মুক্তিযুদ্ধটা শুধু অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে শুরু হয় নি, তার সঙ্গে আত্মমর্যাদাবোধ থেকেও হয়েছিল। বর্বর পাকস্তানিরা বাংলাদেশের মানুষদের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক বানিয়ে রেখেছিল। এটি সাড়ে সাত কোটি মানুষের মর্যাদাবোধে আঘাত করেছিল। সেই মর্দাযাকে উদ্ধার করতে চাওয়াটিও মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হওয়ার অন্যতম একটি কারণ। মুক্তিযুদ্ধের একটি পোস্টার আছে, তাতে শুধু লেখা-

‘বাংলার হিন্দু

বাংলার খৃষ্টান

বাংলার বৌদ্ধ

বাংলার মুসলমান

আমরা সবাই বাঙালী’

এই পোস্টার শুধু অসাম্প্রদায়িক চেতনা বহন করছে না, অসাম্প্রদায়িক চেতনার সঙ্গে ভাতৃত্ববোধ ধারণ করার ঘোষণাটিও দিচ্ছে। তারই প্রতিফলন তিরিশ লক্ষ মানুষের আত্মত্যাগ, দু লক্ষ নারীর সম্ভ্রম। অথচ আপনারা নিজেদেরকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ শক্তির সঙ্গে রয়েছেন ঘোষণা দিয়েও নিজ দেশ ও জাতিকে অন্য দেশ ও জাতির সামনে ছোট করে ফেলছেন। আপনারা রাজনীতি করছেন। আমরা চাইব আপনাদের রাজনীতি দেশের মানুষের মাথা উঁচু তুলবে, কেননা দেশের কল্যাণে ও উন্নয়নে সেবাধর্মী রাজনৈতিক দলসমূহের নীতি ও আদর্শই হল রাজনীতি। সমাজের মানুষের মাঝে আন্তঃসম্পর্ক সৃষ্টি করে ও ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা করাও। সগোত্রীয়দের সঙ্গে লড়াই করার নাম রাজনীতি নয়। নিজ জাতিকে অন্য জাতির সমানে ছোট করে ফেলার নাম রাজনীতি হতে পারে না।

 

০৭.১০.১৮

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close

Adblock Detected

Please, Deactivate The Adblock Extension