বাংলাদেশের হয়ে ফিফার রেফারির তালিকায় জয়া চাকমা

অপেক্ষা ছিল ফিফার অনুমোদনের। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে ফিফার এক মেইল বার্তায়  সেটিও নিশ্চিত গেছেন জয়া চাকমা। হ্যাঁ, বাংলাদেশের ক্রিরঙ্গনে নারীদের উত্থানের গল্পটাও যেন রুপকথার মত। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে নারীর যে পথ চলা সময়ের কাঁটা ঘুরে সেটি যেন আরও সুপ্রসন্ন। এবার নারীদের সাফল্লের ডানায় যুক্ত হল আরেক পালক। দেশের হয়ে ফিফার রেফারির তালিকায় এবার প্রথমবারের মত তালিকাএ নাম লিখিয়েছেন জয়া চাকমা।

কবি নজরুল বলেছিলেন, ‘বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর অর্ধেক তার করিয়াছি নারী অর্ধেক তার নর’।

জয়া চাকমা, বাংলাদেশের নারী রেফারিদের ইতিহাসে, ঐতিহাসিক এই মাইলফলকে পৌঁছানয় তার অনুভূতি প্রকাশ কালে বলেন, দেশের হয়ে এমন অর্জনে দারুন খুশি তিনি। একইসাথে আগামিতে ফিফার আসরে নিজের দক্ষতা মেলে ধরার দৃঢ় প্রত্যয়ও বেক্তয় করেন।

বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ফিফার নির্দেশনা অনুযায়ী পরীক্ষা দিয়ে ফিফা রেফারি হওয়ার যোগ্যতা প্রমাণের সর্বশেষ হার্ডলটা পার হতে পেরেছেন তিনি।

তবে, বয়স কম হওয়ায় তাকে আরও কিছুদিন অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে। আগামী এক বছর মেয়েদের আন্তর্জাতিক ম্যাচ পরিচালনা করতে পারবেন জয়া।

দক্ষিণ এশিয়ায় চারজন নারী ফিফা রেফারির দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের মধ্যে দুজন ভারতের আর একজন করে আছেন নেপাল ও ভুটানের। ফিফার পঞ্চম এশিয়ান নারী রেফারি হতে অপেক্ষায় ছিলেন বাংলাদেশের জয়া।

খেলোয়াড়ী জীবনের পর ২০১০ সালে রেফারিংয়ে মনোনিবেশ করেন রাঙামাটির মেয়ে জয়া। এর আগে লেভেল ৩, ২ ও ১ কোর্স শেষ করে জাতীয় পর্যায়ের রেফারি হয়েছেন। পরে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা রেফারি হওয়ার ফিটনেস টেস্টে উত্তীর্ণ হয়েছেন। ফিফা থেকে স্বীকৃতি মেলায় বাংলাদেশের প্রথম নারী ফিফা রেফারি হলেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *