
জুলফিকার আলী ভুট্টোর বিচার সুষ্ঠু হয়নি: পাক সুপ্রিম কোর্ট
পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট বুধবার দেশটির প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টোর বিচার, সাজা ও মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে বলেছেন, তিনি ‘ন্যায্য বিচারের’ সুযোগ পাননি। খবর জিও নিউজের।
পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি (সিজেপি) কাজী ফয়েজ ঈসার নেতৃত্বে শীর্ষ আদালতের ৯ সদস্যের বেঞ্চ সাজা পুনর্বিবেচনা ও পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) প্রতিষ্ঠাতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ভুট্টোর ফাঁসির বিষয়ে মন্তব্য করেছে। মন্তব্যটি মূলত ২০১১ সালের রাষ্ট্রপতির রেফারেন্সের ওপর করা হয়েছে।
সংক্ষিপ্ত আদেশ ঘোষণা করার সময় প্রধান বিচারপতি ঈসা বলেন, ‘জুলফিকার আলী ভুট্টো ন্যায্য বিচার পাননি। আর যথাযথ প্রক্রিয়া সাংবিধানিক নিয়মে হয়নি।’
৯ সদস্যের বেঞ্চে আরও রয়েছেন বিচারপতি সরদার তারিক মাসুদ, বিচারপতি সৈয়দ মনসুর আলি শাহ, বিচারপতি ইয়াহিয়া আফ্রিদি, বিচারপতি আমিন-উদ-দীন খান, বিচারপতি জামাল খান মন্দোখেল, বিচারপতি মোহাম্মদ আলী মাজহার, বিচারপতি সৈয়দ হাসান আজহার রিজভি ও বিচারপতি মুসাররাত হিলালি।
সাজা পুনর্বিবেচনা করার জন্য প্রায় ১২ বছর আগে দাবি করেছিলেন পিপিপি কো-চেয়ারম্যান আসিফ আলী জারদারি। এতদিন পর ভূট্টোর মৃত্যুদণ্ড নিয়ে মন্তব্য করেছেন আদালত।
সংবিধানের ১৮৬ অনুচ্ছেদের অধীনে জারদারি ২ এপ্রিল, ২০১১ সালে রেফারেন্স দায়ের করেছিলেন। রেফারেন্সটি সাবেক প্রধান বিচারপতি ইফতিখার মুহাম্মদ চৌধুরীর নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের ১১ সদস্যের বৃহত্তর বেঞ্চ গ্রহণ করেছিল। সেসময় এই রেফারেন্সের পাঁচটি শুনানি হয়েছিল।
ভুট্টোর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল ৪ এপ্রিল, ১৯৭৯ সালে। একটি হত্যা মামলায় আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। তবে এই ঘটনাকে ‘জুডিশিয়াল কিলিং’ বলে অভিহিত করেছে ভূট্টোর দল পিপিপি।



