
ট্রাম্প কী গাজা খালি করার পরিকল্পনা থেকে সরে এলেন?
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজায় যুদ্ধবিরতি চলছে। গত ১৯ জানুয়ারি থেকে যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকে সেখানে ফিলিস্তিনিরাও ফিরতে শুরু করেছে। দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণের পর ট্রাম্প গাজাকে যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে নেওয়ার ঘোষণা দেন। তিনি গাজা খালি করতে মিশর, জর্ডানসহ আরবদেশগুলোকে লাখ লাখ ফিলিস্তিনিকে গ্রহণ করার আহ্বান জানান।
তবে গতকাল বুধবার ট্রাম্প বলেছেন, ‘গাজা থেকে কোনো ফিলিস্তিনিকে কেউ সরিয়ে নেবে না।’ ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীকে পাশে নিয়ে ট্রাম্প সাংবাদিকদের এই মন্তব্য করেছেন। এরপরেই ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছে হামাস।
এক বিবৃতিতে হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেমি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বক্তব্য যদি গাজা উপত্যকার জনগণকে বাস্তুচ্যুত করার ধারণা থেকে সরে আসার প্রতিনিধিত্ব করে, তাহলে তাদের স্বাগত জানানো হবে।
তিনি আরও বলেছেন, আমরা ইসরায়েলি দখলদারত্বকে যুদ্ধবিরতি চুক্তির সব শর্ত বাস্তবায়নে বাধ্য করার মাধ্যমে এই অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানাই।
এ ছাড়া গতকাল গাজার পুনর্গঠন নিয়ে আলোচনার জন্য আরব দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা কাতারে মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে ট্রাম্পের পরিকল্পনার স্পষ্ট বিরোধিতা করা হয়।
বৈঠকে কাতার, জর্ডান, মিসর, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এবং প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (পিএলও) মহাসচিব অংশ নেন। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।



