
শান্তিচুক্তির পর নিরাপত্তা নিশ্চয়তা পাবে ইউক্রেন, আগে নয়: মস্কো
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন, ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চয়তা কোনো আলোচনার শর্ত হতে পারে না বরং রাশিয়ার সঙ্গে শান্তিচুক্তি সম্পন্ন হওয়ার ফলাফল হিসেবে এ ধরনের নিশ্চয়তা আসতে হবে।
তিনি জানান, ইউক্রেন পশ্চিমা দেশগুলোর কাছে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা চাইছে শান্তি আলোচনায় বসার পূর্বশর্ত হিসেবে। কিন্তু রাশিয়া বলছে, যেকোনো ব্যবস্থা অবশ্যই রাশিয়ার নিরাপত্তা স্বার্থকে বিবেচনায় রাখতে হবে।
জাখারোভা বলেন, স্থায়ী সমাধানের জন্য ইউক্রেনকে নিরস্ত্রীকরণ, ‘ডিনাজিফিকেশন’, নিরপেক্ষ ও পরমাণুমুক্ত রাষ্ট্রে পরিণত হওয়া এবং বর্তমান ভূখণ্ড বাস্তবতা মেনে নিতে হবে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, পশ্চিমা দেশগুলোর প্রস্তাবগুলো একপাক্ষিক এবং এগুলো কেবল রাশিয়াকে দমানোর কৌশল, যা শেষ পর্যন্ত ন্যাটোকে সরাসরি সংঘাতে টেনে নিতে পারে।
প্রসঙ্গত, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও ইউরোপীয় দেশগুলো ন্যাটোর ‘আর্টিকেল-৫ ধাঁচের নিশ্চয়তা’ দাবি করছে কিয়েভের জন্য, যাতে কোনো আক্রমণ হলে ন্যাটো স্বয়ংক্রিয়ভাবে হস্তক্ষেপ করে। এ ছাড়া ইউরোপীয় নীতিনির্ধারকরা ইউক্রেনে শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানো বা পশ্চিমাদের টহল দিয়ে একটি বাফার জোন তৈরির কথাও বলেছেন। তবে রাশিয়া ন্যাটোর কোনো ধরনের সেনা মোতায়েনকে একেবারেই প্রত্যাখ্যান করেছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ইউক্রেন ন্যাটোতে যোগ দিতে পারবে না।
গত তিন মাসে মস্কো ও কিয়েভ তিন দফা বৈঠক করেছে এবং বড় ধরনের বন্দিবিনিময় করেছে। যদিও এখনো কোনো বড় সমঝোতা হয়নি, তবে মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ বলেছেন, ওয়াশিংটন ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ এ সংঘাতের সমাধান চায় এবং ইতিমধ্যেই একটি শান্তি প্রস্তাব আলোচনার টেবিলে আছে।



