
আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা: মৃত্যুপুরীতে অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলেন রমেশ বিশ্বাস কুমার
হোসনেআরা চৌধুরী: ভারতের গুজরাটের আহমেদাবাদে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ এয়ার ইন্ডিয়া বিমান দুর্ঘটনায় যখন মৃত্যু ঘনিয়ে এসেছিল চারদিকে, তখন সব হারিয়ে একমাত্র বেঁচে থাকলেন এক ব্যক্তি—বিশ্বাস কুমার রমেশ, যিনি অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে যান ইমার্জেন্সি এক্সিট দিয়ে লাফিয়ে।
তিনি ছিলেন ১১এ নম্বর আসনে। তাঁর চোখের সামনে ঘটে যায় এক বিভীষিকাময় ট্র্যাজেডি, যেখানে ধ্বংসস্তূপে হারিয়ে যায় শতাধিক যাত্রীর প্রাণ।
জীবনের দরজা: ইমার্জেন্সি এক্সিট
রমেশ কুমার নিজেই জানালেন, কীভাবে তিনি বুঝতে পারেন যে বিমানটি বিধ্বস্ত হতে চলেছে। ঝাঁকুনি, আগুনের গন্ধ এবং প্যানিকের মধ্যেই তিনি দ্রুত সিদ্ধান্ত নেন, আর খুলে ফেলেন জরুরি নির্গমন দরজা।
সেটিই হয়ে দাঁড়ায় তার “জীবনের দরজা”।
রমেশ বলেন: “আমি জানি না কীভাবে বেঁচে গেছি। আমার চারপাশে মানুষ চিৎকার করছিল। আমি শুধুই দরজা খুলে লাফ দিয়েছিলাম। তারপর আমার আর কিছু মনে নেই।”
একজন জীবিত, শত প্রাণ নিভে গেল
বিমানে মোট ২৪২ জন ছিলেন (২৩১ যাত্রী ও ১১ বা ১২ জন ক্রু, সংবাদদাতাদের তথ্য অনুযায়ী) । আগুন ও ধ্বংসস্তূপে আটকা পড়ে বহু প্রাণ হারায়। রমেশ বিশ্বাস কুমার ছাড়া আর কেউ জীবিত নেই বলে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।
দুর্ঘটনার কারণ কী?
প্রাথমিক তথ্যে জানা যাচ্ছে, বিমানের ইঞ্জিনে আগুন ধরে যাওয়ায় তা রানওয়ের কাছাকাছি ভেঙে পড়ে।
DGCA এবং বিমান মন্ত্রক ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
শেষ কথা
বিশ্বাস কুমার রমেশ বেঁচে গেছেন, কিন্তু তার চোখে এখনো জ্বলছে সেই আগুন, কানে বাজছে শেষ চিৎকার।
এই দুর্ঘটনা কেবল প্রযুক্তিগত ব্যর্থতা নয়, এটি এক মানবিক ট্র্যাজেডি—যা মনে করিয়ে দেয়, “জীবন” কখনও কখনও এক সেকেন্ডের সিদ্ধান্ত।



