
খুলনায় হিন্দুদের মন্দির ভাঙচুরের ঘটনায় নিউ ইয়র্কে প্রতিবাদে সমাবেশ
বাংলাদেশের খুলনা জেলার খুলনায় হিন্দুদের মন্দির ভাঙচুরের ঘটনায় রোববার (৮ আগস্ট) নিউ ইয়র্কের জ্যাকসন হাইট ডাইভারসিটি প্লাজায় মানব বন্ধন ও প্রতিবাদ সভা আয়োজিত হয়।
আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৃষ্টি ও খারাপ আবহাওয়ার মধ্যেও মানুষ এই প্রতিবাদে অংশগ্রহণ করে। হিন্দু কোয়ালিশন ইউএসএ-এর আয়োজিত এ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নেতা শীতাংশু গুহ, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি রনবীর বড়ুয়া, হিন্দু কোয়ালিশন ইউএসএ-এর দীনেশ মজুমদার, গোবিন্দ বানিয়া, নিতাই বাগচি, প্রকাশ গুপ্ত।
বাংলাদেশ পুজা উৎযাপন পরিষদের ভজন সরকার, বুড্ডিস্ট কমিউনিটি নিউ ইয়র্কের সিদ্ধার্থ বড়ুয়া, মহামায়া মন্দিরের বিকাশ, গ্লোবাল বেঙ্গলী হিন্দু কোয়ালিশনের বিভাস মল্লিক, হিন্দু মন্দিরের লিটন চৌধুরীসহ আরো অনেকে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সকল বক্তারা বলেন ইসলামি মৌলবাদীরা বেছে বেছে হিন্দু এলাকায় পরিকল্পিতভাবে হামলা ও অগ্নিসংযোগ, ঘরবাড়ী, মুর্তি ভাঙচুর ও মহিলাদের শ্লীলতাহানি করছে।
বক্তারা দাবি করে বলেন, রূপসার শিয়ালী গ্রামে প্রায় ১০০০ তৌহিদী জনতা স্হানীয় একটি মসজিদের ঈমামের নেতৃত্বে এ হামলা চালায়। এতে ১৪ টি মন্দির ও মন্দিরের সকল মুর্তি ভাঙচুর করা হয়। প্রায় ৩০০ হিন্দু বাড়ীতে ভাঙচুর লুঠতরাজ ও নারীদের শ্লীলতাহানি করা হয়। এতে বেশ কিছু হিন্দু পুরুষ ও নারী আহত হয়েছে।
বক্তারা বলেন একের পর এক ঘটনা ঘটছে সরকার নির্বিকার, কোন ঘটনার বিচার হয় না। বক্তারা প্রধানমন্ত্রীকে এ ব্যাপারে বক্তব্য দেয়ার আহবান জানান। যেহেতু বাংলাদেশ সরকার কিছুই করছে না, বক্তারা তাই ভারত সরকারকে বাংলাদেশের হিন্দুদের রক্ষায় এগিয়ে আসার আহবান জানায়।
উল্লেখ্য, গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, খুলনার রূপসা উপজেলায় কীর্তন গানকে কেন্দ্র করে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় বেশ কিছু পারিবারিক মন্দির ও প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়। গতকাল শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে শিয়ালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পূজা উদযাপন কমিটির নেতারা অভিযোগ করেছেন, হামলাকারীদের হাতে নারীরাও মারধরের শিকার হয়েছে। একই সঙ্গে লুটপাট চালানো হয়।



