প্রধান খবরবাংলাদেশশিক্ষা

বিভিন্ন স্কুল ও কলেজে দুর্নীতি

* বিচারহীনতায় বেপরোয়া দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট * আইডিয়াল স্কুলের কর্মকর্তা আতিকুরের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা * পরিচালনা কমিটির প্রবিধান হালনাগাদ ও আয়-ব্যয় পরিচালনায় নীতিমালা হচ্ছে -মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব

মুসতাক আহমদ


দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দুর্নীতিবাজ চক্র গড়ে উঠেছে। এ চক্রের অগ্রভাগে কোথাও অসাধু শিক্ষক আবার কোথাও কর্মচারীরা থাকেন। তবে প্রায় সব ক্ষেত্রে এর নেপথ্যে আছেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির (জিবি বা এসএমসি) দুর্নীতিবাজ সভাপতি, অধ্যক্ষ-প্রধান শিক্ষক।

অনিয়ম-দুর্নীতি নির্বিঘ্ন করতে কোথাও প্রভাবশালী শিক্ষক এবং গভর্নিং বডির কোনো কোনো শিক্ষক ও অভিভাবক প্রতিনিধিকেও সম্পৃক্ত করা হয়। আবার দুর্নীতি থেকে পার পেতে কখনো তারা স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিদের আশ্রয়ে চলে যান। সমাজের প্রভাবশালীদেরও সামনে রাখেন কেউ কেউ। এভাবে দুর্নীতিবাজরা মিলে গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট।

যুগান্তরের অনুসন্ধান এবং সরকারি বিভিন্ন সংস্থার তদন্ত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যত নামডাক, সেই প্রতিষ্ঠান ঘিরে দুর্নীতিবাজদের তৎপরতা তত বেশি। একেকটি প্রতিষ্ঠানকে কামধেনুতে পরিণত করেছে দুর্নীতিবাজ চক্র। দুর্নীতির মাধ্যমে তাদের কেউ কেউ একাধিক গাড়ি, ফ্ল্যাট, প্লট, সুপারশপ, হাসপাতাল এমনকি ডেভেলপার কোম্পানির মালিক বনে গেছেন। অনেকের সম্পদের সঙ্গে আয়ের কোনো সামঞ্জস্য নেই। তবে দুর্নীতিবাজদের বেশির ভাগের তথ্যই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আছে। বিভিন্ন সংস্থার তদন্তের মাধ্যমেও কিছু তথ্য উঠে এসেছে। আর কিছু এসেছে ভুক্তভোগীদের অভিযোগের মাধ্যমে। কিন্তু আইনি সীমাবদ্ধতার কারণে ব্যবস্থা নিতে পারছে না মন্ত্রণালয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন যুগান্তরকে বলেন, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই যে দুর্নীতির ঘটনা ঘটছে এমন নয়। শহরকেন্দ্রিক বড় কিছু প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে অভিযোগ আসছে। যেসব প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে বিভিন্ন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার অভিযোগ আসে, তা তদন্ত করে ব্যবস্থাও নেওয়া হয়। যেহেতু আইন অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়ার এখতিয়ার যার, বরখাস্ত বা চাকরিচ্যুতির ক্ষমতাও তার। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রবিধানমালা অনুযায়ী এ এখতিয়ার পরিচালনা কমিটিকে দেওয়া আছে। তাই কোনো অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নিতে কমিটিগুলোকে বলা হচ্ছে। এর বেশি কিছু করা যাচ্ছে না। অন্যদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আয়-ব্যয়ের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা নেই। পরিচালনা কমিটি বা ব্যক্তিবিশেষ অনৈতিক কাজ করলে কী শাস্তি দেওয়া যাবে, তা নীতিমালায় নেই। এ কারণে পরিচালনা কমিটি গঠন প্রবিধানমালা হালনাগাদ এবং আয়-ব্যয় সংক্রান্ত একটি নতুন নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে। এগুলো হলে বাস্তবায়ন হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীদের টিউশন ফি নির্ধারণ থেকে শুরু করে শিক্ষকের অবসরে যাওয়া পর্যন্ত পদে পদে বিভিন্ন কাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ আছে। টাকার বিনিময়ে ভর্তি বাণিজ্য, ঘন ঘন টিউশন ও বিভিন্ন খাতের ফি বৃদ্ধি করে সেই অর্থ লোপাট, খাতা-কলম-কাগজ-স্কুল ড্রেস-ডায়েরি বিক্রি, অবৈধ বই পাঠ্যভুক্তি, টাকার বিনিময়ে শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্যের সুযোগ করে দেওয়া, প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও জমি কেনা ও কমিশন বাণিজ্য, ভবন নির্মাণ ও সংস্কার, নিয়োগসহ নানা কাজে কায়েম হয়েছে দুর্নীতির রাজত্ব।

অভিভাবকরা জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অপরাধের যথাযথ বিচার হলে অপরাধ অনেকটাই কমে যেত। অভিভাবক ঐক্য ফোরামের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউল কবীর দুলু বলেন, যে কোনো অপরাধের বিচার না হলে সমাজে ওই অপরাধের অপরাধীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকেন্দ্রিক দুর্নীতির ঘটনায় গ্রেফতার আর কারাবাসের ঘটনা নেই বললেই চলে। অপসারণ কোনো শাস্তি নয়। ফৌজদারি অপরাধের প্রচলিত আইনে বিচারের ব্যবস্থা রাখা হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ভালো থাকত।

বিভিন্ন সংস্থার তদন্ত ও নিরীক্ষাসংক্রান্ত কাজে জড়িত কর্মকর্তারা বলেন, প্রায় প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। পার্থক্য শুধু-কোথাও দুর্নীতির মাত্রা কিছুটা কম, আর কোথাও বেশি। বিশেষ করে বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর দুর্নীতির ঘটনা আলোচনায় আসে। আর ছোট প্রতিষ্ঠানগুলোর ঘটনা সরকারি দপ্তর ও বোর্ডগুলো অভিযোগ দায়েরের মধ্যে সীমিত থাকে। এগুলোর কখনো তদন্ত হয়, আবার কখনো তেমন একটা গুরুত্ব পায় না।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আরও বলেন, প্রবিধানমালায় সুযোগ না থাকায় প্রমাণিত বিষয়েও মন্ত্রণালয় বা মাউশি সরাসরি কোনো ব্যবস্থা নিতে পারে না। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে জিবি বা এসএমসিকে লিখে থাকে মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থা। তখন সৎ লোকেরা জিবি বা এসএমসিতে থাকলে ব্যবস্থা নেন, আর তখনই কেবল সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়। নইলে বহাল থাকে দুর্নীতিবাজরা। আর দুর্নীতিতে যদি কমিটির সদস্যরাই জড়িত থাকে, তাহলে চিঠি চলে যায় ‘ডিপফ্রিজে’। ফলে দুর্নীতিবাজরা পার পেয়ে যায়।

সম্প্রতি রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল ও কলেজের একটি ঘটনা আলোচনায় এসেছে। ওই প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির একাংশের বিরুদ্ধে ভর্তি বাণিজ্য, উন্নয়ন কাজে নয়ছয়, বদলি বাণিজ্যসহ নানা অভিযোগ ওঠে। দুটি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে নানা দুর্নীতির তথ্য বেরিয়ে এসেছে। আরও তিনটি কমিটির তদন্ত চলছে। প্রতিষ্ঠানটির চিহ্নিত ও দুর্নীতিবাজ জিবি সদস্যদের আছে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট, গাড়ি। তাদের আয়ের সঙ্গে সম্পদের সামঞ্জস্য নেই। এসব তদন্ত করা প্রয়োজন বলে মনে করেন অভিভাবকরা।

আরেক আলোচিত ঘটনা রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল ও কলেজে। প্রতিষ্ঠানটিতে ২০০৪ সালে উপপ্রকৌশলী পদে নিয়োগ পান আতিকুর রহমান খান নামে একজন। জানা গেছে, স্কুলে এ ধরনের পদ না থাকলেও নিয়োগ পাওয়া এই ব্যক্তিকে ২০১৫ সালে পদোন্নতি দিয়ে কর্মচারী থেকে প্রশাসনিক কর্মকর্তা করা হয়। দেশের একাধিক ব্যাংকে আতিকুরের ৯৭টি হিসাব রয়েছে। ২০০৭ সাল থেকে মার্চ পর্যন্ত এসব হিসাবে ১১০ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে। ছোট এই চাকুরের এত টাকার উৎস অনুসন্ধানের পদক্ষেপ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর অংশ হিসাবে ১ আগস্ট মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) পাঠানো চিঠিতে-আতিকুরের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ তদন্ত করে প্রশাসনিক কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি দুর্নীতি দমন কমিশনেও (দুদক) একইদিন পাঠানো আরেক চিঠিতে আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণ করতে বলা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে দুদক বিষয়টি নথিভুক্ত করেছে বলে জানা গেছে। এরপর প্রক্রিয়া অনুযায়ী দুদকের অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক মাহবুব রহমান তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে রোববার আদালতে আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক এ আদেশ দেন।

আতিকুর রহমানের ভাই একই প্রতিষ্ঠানের সহকারী প্রধান শিক্ষক। তার নাম আবদুস সালাম খান। কয়েক বছর আগে মাউশির এক তদন্তে প্রমাণিত হয়, সরকারের বন্ধ করে দেওয়া একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভুয়া সনদ নিয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ নিয়েছেন সালাম খান। এ কারণে তার এমপিও (বেতনের সরকারি অংশ) বাতিল করা হয়। পাশাপাশি ব্যবস্থা নিতে স্কুল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু রহস্যজনক কারণে তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং প্রতিষ্ঠানের অর্থে তাকে চাকরিতে বহাল রাখা হয়েছে। সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি মামলা করেছেন বলে জানা গেছে। অভিযোগের ব্যাপারে যোগাযোগ করে আতিকুর রহমান ও তার ভাই আবদুস সালাম খানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কল এবং পরিচয় দিয়ে এসএমএস করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি-অনিয়ম তদন্ত করে থাকে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ)। সংস্থাটি বছরে দেড় থেকে দুই হাজার প্রতিষ্ঠানে তদন্ত করে। তাদের এক তদন্তে অর্থ নয়ছয়ের প্রমাণ মিলেছে রাজধানীর মিরপুর কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে। ৩০ জুন জমা দেওয়া প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকায় তিনটি ফ্ল্যাট ও গ্রামে তিনতলা বাড়ির মালিক ওই অধ্যক্ষ। সঞ্চয়পত্র আর শেয়ারবাজারে আছে তার বিনিয়োগ। ওই প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে শ্বশুরের চিকিৎসা, বাড়ির কাজ ও ফ্ল্যাটের টাইলস, সম্মানিসহ নানাভাবে অর্থ আত্মসাতের তথ্য স্থান পেয়েছে। তার নিয়োগ নিয়েও প্রতিবেদনে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। যদিও অধ্যক্ষের দাবি, তিনটির একটি ফ্ল্যাট তিনি কলেজে যোগদানের আগেই কিনেছেন। বাকি দুটি বুকিং দিয়েছেন। প্রতিষ্ঠানের কিছু ব্যক্তি এ ধরনের অপপ্রচার করছে বলে দাবি করেন তিনি।

এভাবে ঢাকা ও ঢাকার বাইরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত করেছে ডিআইএ। সংস্থাটির আলোচিত তদন্তগুলোর আরেকটি হলো-রাজধানীর দনিয়া কলেজ। তদন্তে প্রতিষ্ঠানটিতে ৪১ কোটি ৪০ লাখ ৯৪ হাজার টাকার অনিয়ম পাওয়া গেছে। এছাড়া যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল ও কলেজ, রাজশাহী মসজিদ মিশন স্কুলে বড় ধরনের দুর্নীতি চিত্র বের করেছে সংস্থাটি।

সম্প্রতি রাজধানীর মতিঝিল মডেল স্কুল ও কলেজের সাবেক এক সভাপতির নানা অন্যায়-অনিয়ম ও লুটপাটের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলেন শিক্ষকরা। তাদের অভিযোগ-তিন বছরে স্কুলের অন্তত ৩৫ কোটি টাকা লোপাট হয়েছে। অভিযোগ-রাজধানীর শান্তিনগর এলাকায় অবস্থিত একটি কলেজের তহবিলের টাকার বেশ একটি অংশ লোপাট করেছেন পরিচালনা কমিটির সদস্যরা। এতে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বন্ধ হয়ে যায়। এর পাশের আরেক প্রতিষ্ঠান জিবির সভাপতির পরিবারের সদস্যদের মাস্তানির ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। নানাভাবে লুটপাটের অভিযোগ তো আছেই। এগুলোর মধ্যে প্রথমটির ব্যাপারে মাউশি আর পরেরটির ব্যাপারে ডিআইএ তদন্ত করেছে।

এ সংস্থার যুগ্মপরিচালক বিপুল চন্দ্র সরকার বলেন, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিদর্শন, নিরীক্ষা ও তদন্তে আর্থিক দুর্নীতিই বেশি বের হয়ে আসছে। এছাড়া টিউশনসহ বিভিন্ন ফিসহ নানা বিষয়ে বেআইনি ঘটনা ঘটে। আগে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি বেশি হতো। কয়েক বছর ধরে সরকার প্রবেশপদে নিয়োগ দিচ্ছে। এরপরও কিছু প্রতিষ্ঠান সৃষ্ট পদের নামে নিজেরা নিয়োগ করছে। সেগুলোও বন্ধ করার পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। সুশাসনের প্রয়োজনে অধ্যক্ষ এবং কর্মচারী নিয়োগও সরকারিভাবে করা উচিত বলে মনে করেন তিনি।

পৃথকভাবে বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত অভিযোগ তদন্ত করে। এছাড়া মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরও কখনো অভিযোগ নিয়ে কাজ করে। যেমন, বর্তমানে ভিকারুননিসা স্কুল ও কলেজে পূর্ত ও সংস্কার কাজ নিয়ে তদন্ত করছে সংস্থাটি। সম্প্রতি এক তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল ও কলেজের কমিটি ভেঙে দেওয়াসহ আরও কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অভিযোগ তদন্তে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আলাদা সেল খুলেছে। সম্প্রতি ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মিট দ্য রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মশিউর রহমান বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে তদন্তের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

Adblock Detected

Please, Deactivate The Adblock Extension