
তাহমিদ হাসান
দেখার ছিল বলার ছিল কথা
অনেকদিন পড়েনি পাতে ভাত
প্রহর কাটে ভাঙলো নীরবতা
চালায় ক্ষুধা উদরে কষাঘাত।
অভাব আনে নৌকা বোঝায় ক্ষুধা
জ্ঞানের বাতি যদিও জ্বালে শিখা
বলবে কেবা কার কপালে সুধা
লাভের গুড়ে লাগছে পিপীলিকা।
জগত যেন মজায় ভরপুর
দেখতে জানে প্রেমের চোখে যে বা
আঁধার রাতে মাতাল কেন চুর
ঘরের খেয়ে করবে কে তার সেবা।
চাঁদের হাসি দেখতে লাগে ভালো
পিছনে তার অপার অন্ধকার
কোন সারথি জ্বালায় তারার আলো
রাত পোহালে রতির হাহাকার।
কোন বেদনা কার কপালে আনে
কার বিরহ পোড়ায় সংসার
ভ্রমর ওড়ে মধুর সন্ধানে
ফুলের গালে জমায় অভিসার।
শরৎ গেলে সন্ধ্যা নামায় শীত
কার দরজা মারছে কারা তালা
আজব টানে কাপলো প্রেমের ভীত
কাহার মনে কাহার বন্দিশালা।
উত্তরে আজ দিনের আলো ফোঁটে
আমার ঘরে জ্বলছে তাই বাতি
কার কপালে কখন ভাগ্য জোটে
মরণ খেলা খেলছে মানব জাতি।
সাধের বালা বাড়ায় জ্বালা মনে
মানুষ তবু প্রেমে পাগল জানি
কৃষ্ণ কখন ডাকলো তারে বনে
রাধার কানে বাজলো মধুর বাণী।
এই পৃথিবী আজব ক্ষণে ক্ষণে
পাপের বোঝা নিরীহ বয়ে মরে
কেউবা ঘোরে সুখের অন্বেষণে
কেউবা পোড়ে আপন অন্তরে।
ভাঙলে খেলা সবাই যাবে ঘরে
নদীর ধারে বসবো তুমি-আমি
অনেক কথা জমবে কথার পরে
দিনের সূর্য যখন অস্তগামী।
জোছনা রাতে বৃষ্টি যদি নামে
অবাক হবে তখন তোমার চোখ
কিনবো আমি আবেগ প্রেমের দামে
মনের তারে বাঁধবো নতুন শ্লোক।



