
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা অবৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। তবে, ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তার আপিলের সুযোগ রয়েছে।
গতকাল বুধবার তার মনোনয়ন স্থগিত করেছিল ইসি। পাশাপাশি আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার মধ্যে তাকে সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগের প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমাণ ইসির কাছে জমা দিতে বলা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, ১১ দলীয় ঐক্য সংরক্ষিত নারী আসনে মনিরা শারমিনকে মনোনীত করার পর তার প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে। কারণ, গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, সরকারি চাকরি ছাড়ার তিন বছরের মধ্যে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা বা এই পদে বহালের সুযোগ না থাকলেও শতভাগ রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কৃষি ব্যাংক থেকে চাকরি ছাড়ার কয়েক মাসের মাথায় প্রার্থী হয়েছেন তিনি।
এ অবস্থায় মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল হলে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে এনসিপির নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমেরও মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় দলটি। গত মঙ্গলবার নির্ধারিত সময় শেষে এনসিপির এ নেত্রী মনোনয়নপত্র জমা দেন ইসিতে। তবে, এই কারণে গতকাল নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে এই দুজন ছাড়া বিএনপি, ১১ দলীয় ঐক্য এবং স্বতন্ত্র জোটের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে। এবার বিএনপি জোট ৩৬টি, ১১ দলীয় ঐক্য ১৩টি এবং স্বতন্ত্ররা মিলে ১টি সংরক্ষিত নারী আসন পাবে।
আগামী ১২ মে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন হবে।



