
মিশেল ওবামার ‘ভোট’ হার দেখে গহনার দোকানে ভিড়
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ফার্স্টলেডি মিশেল ওবামার পরা ‘ভোট’ লেখা একটি হার দেখে গহনার দোকানগুলোয় মোটামুটি ভিড় জমে গেছে।
সাধারণ ও কম দামের হারটিই ভোটের মৌসুমে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ইতোমধ্যে গুগল সার্চেও শীর্ষে চলে এসেছে এটা। বিক্রিতেও শীর্ষে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আর কিছুদিন বাকি। নির্বাচনকে সামনে রেখে চলছে ডেমোক্রেটিক পার্টির সম্মেলন ‘২০২০ ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কনভেনশন’। ১৭ আগস্ট (সোমবার) থেকে চার দিনব্যাপী এই কনভেনশন শুরু হয়।
প্রথমদিনই সম্মেলনে যোগ দেন মিশেল। এদিন ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রিপাবলিকানদের আক্রমণ করে ১৮ মিনিটের শক্তিশালী ও যুক্তিপূর্ণ বক্তব্য দেন তিনি। সেই সঙ্গে দেশবাসীকে তার নিজের দল ডেমোক্রেটিক পার্টিকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
বলেন, ‘জো বাইডেন ও কমলা হ্যারিসকে এমনভাবে ভোট দিন যেন আমাদের জীবন এর ওপরই নির্ভর করছে।’ এ সময় তার গলায় জ্বলজ্বল করছিল একটি সোনার হার। চারটি অক্ষর ছিল এতে। সেগুলো আর কিছুই নয়, ভি-ও-টি-ই। তাতে চোখ পড়ে আমেরিকানদের। হারটির দাম মাত্র ৪৩০ ডলার।
ওইদিন সন্ধ্যায় সম্মেলন শেষ হওয়ার আগেই মিশেলের ‘ভোট’ লেখা হারটি অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমতো ভাইরাল হয়ে যায়। হারটি ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যের লস অ্যাঞ্জেলেসভিত্তিক গহনা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বাইচ্যারির নকশায় তৈরি।
প্রতিষ্ঠানটির কৃষ্ণাঙ্গ মালিক চ্যারি কাথবার্ট ২০১২ সাল থেকে নিজেই গহনার বিভিন্ন নকশা ও উৎপাদন করে থাকেন। বিশ্বজুড়ে চলমান বিভিন্ন পণ্যের ব্রান্ড প্রমোশনের প্রবণতার ধারাবাহিকতায় কাথবার্টের ডিজাইন সোনার হারটি পরেন মিশেল।
সামাজিক মাধ্যমে মিশেলের উত্তেজক বক্তব্য সংবলিত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে কাথবার্টের গহনার দোকানে নেকলেসটি চেয়ে একের পর এক ফোন আসতেই থাকে। ঝড়ের মতো অর্ডার আসতে থাকে তার বিজনেস ওয়েবসাইট আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবসায় পেজেও।
নিজের ব্যবসায়ী জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই মুহূর্তটি নিয়ে সিএনএনকে মঙ্গলবার এক সাক্ষাৎকারে কাথবার্ট বলেন, ‘আমি তখন আমার অফিসেই (গহনার দোকানে) ছিলাম। আমি দেখলাম, একটার পর একটা ফোন এসেই চলেছে।’ সোমবারের পর থেকে কাথবার্টের ব্যবসা বেড়েই চলেছে।❐



