
শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চায় যুক্তরাষ্ট্র
রূপসী বাংলা ঢাকা ডেস্ক রিপোর্ট: ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলার বলেছেন, দুই সপ্তাহে প্রচারণার সময় উচ্চমাত্রার সহিংসতায় যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন। এসব সহিংসতায় সব দল আক্রান্ত হয়েছে।
আক্রান্ত হয়েছেন সংখ্যালঘু ও নারী প্রার্থীরাও। বিরোধী দলের প্রার্থীরা বেশি সহিংসতার শিকার হয়েছেন। তিনি বলেন, ৩০ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সহিংসতামুক্ত শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেখতে চায়। বৃহস্পতিবার বিকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদার সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকের পর সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, স্বল্প সময়ের মধ্যে আমার সঙ্গে বৈঠক করার জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যসব কমিশনারকে আমি ধন্যবাদ জানাই। প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে বলেছি, দুই সপ্তাহের প্রচারণার সময় উচ্চমাত্রার সহিংসতায় যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন।
এ কারণেই যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচন কমিশনের কাছে বৈঠকটি চেয়েছে। মিলার বলেন, দলমত নির্বিশেষে সকল বাংলাদেশি যাতে রোববার ভোট দেওয়ার নিরাপদ পরিবেশ অনুভব করে এবং নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারে সেই সহায়ক পরিবেশ তৈরি করা জরুরি। তিনি বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচনে ৭০ শতাংশের বেশি ভোট পড়ে থাকে, যার ফলে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি নিয়ে বাংলাদেশ গর্ব করতে পারে। একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনে শান্তিপূর্ণভাবে মত প্রকাশ এবং সমাবেশের সুযোগ থাকতে হবে।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, নির্বাচনী সংবাদ প্রকাশে গণমাধ্যম যাতে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ পায় সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। নির্বাচনের অংশীজন সবাইকে অবাধে তথ্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি করতে হবে। সকলে যাতে হয়রানি, উস্কানি ও সহিংসতামুক্ত নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে তা নিশ্চিত করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র অবাধ, সুষ্ঠু, সহিষ্ণু এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন প্রত্যাশা করে। পরে তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের বিবৃতির অংশবিশেষ পাঠ করে শোনান।
শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য প্রচারণা: জাতীয় নির্বাচনে সহিংসতা পরিহারের জন্য অনলাইনে প্রচারণা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশের যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পক্ষ থেকে তাদের ফেসবুক পেজে এ বিষয়ে একাধিক পোস্ট দেয়া হয়েছে। বুধবার দূতাবাসের ফেসবুক পেজ থেকে ‘মার্কিন দূতাবাস শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সমর্থন করে’ শিরোনামে ‘শান্তির বীজ বপন করুন। যেমন কর্ম তেমন ফল’ লেখা পোস্টার প্রকাশ করা হয়েছে।



