
ইতিহাসে প্রথম, ট্রাম্পের দ্বিতীয় ইমপিচমেন্ট
বুধবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের জন্য মার্কিন হাউসের ইমপিচমেন্ট প্রস্তাবে অভিযুক্ত করা হয়।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগে বলা হয়, তিনি বিশৃঙ্খল জনতাকে আইনসভা অবরোধ করতে মারাত্মকভাবে ‘বিদ্রোহে প্ররোচিত’ করেন।
ডেমোক্র্যাটিক পার্টির আনা এই প্রস্তাবে ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টিরও সমর্থন মেলে। সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ডিক চেনির মেয়ে লিজ চেনিসহ ১০ জন রিপাবলিকান নেতা ভোট দেন ডেমোক্র্যাটদের আনা এ প্রস্তাবে।
৪৩৫ সদস্যের প্রতিনিধি পরিষদে প্রস্তাবটি ২৩২-১৯৭ ভোটে পাস হয়। সহিংস বিদ্রোহে উসকানি দেওয়ার জন্য দায়ী করে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রস্তাবটি পাস হয়।
ইমপিচমেন্টের কার্যক্রম প্রক্রিয়া খুব দ্রুত এগিয়ে চলে। যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা আক্রমণের ঠিক এক সপ্তাহ পর নির্বাচনের ফলাফলের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের আহ্বানে তার সহিংস সমর্থকদের ‘ফাইট লাইক হেল’-এর বিরুদ্ধে আইন প্রণেতারা ভোট দিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ট্রাম্প একমাত্র প্রেসিডেন্ট যার দুবার ইমপিচমেন্ট হলো।
ভোটের পর ডেমোক্র্যাটিক স্পিকার ন্যানসি পেলোসি বলেন, আজ দ্বিদলীয় সমর্থনে এই ভোটে এটিই প্রমাণিত— কেউ আইনের ঊর্ধ্বে না; এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টও না।
আগামী ২০ জানুয়ারির আগে সিনেটে তার বিচার অনুষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ নেই। ডেমোক্র্যাটদলীয় জো বাইডেন এদিনই প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন।
তার অর্থ দাঁড়াচ্ছে– ধনকুবের আবাসন ব্যবসায়ী ট্রাম্পকে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই অপমানজনকভাবে ক্ষমতা ছাড়তে হচ্ছে না।
তবে পরবর্তী সময় তাকে সিনেটের বিচারের মুখে পড়তে হবে। এতে ২০২৪ সালের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে তিনি নিষিদ্ধ হতে পারেন।
ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর চাক শুমার বলেন, মার্কিন ইতিহাসে প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প যথোচিতভাবেই দ্বিতীয়বারের মতো অভিশংসিত হওয়ার কলঙ্ক বহন করছেন। কাজেই সিনেটেও তার বিচার হওয়া প্রয়োজন।❐



