ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে বলেই মানুষ প্যাকেটের চকচকে চাল কিনছে: খাদ্যমন্ত্রী
খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে বলেই মানুষ প্যাকেটের চকচকে চাল কেনেন। মানুষ খাদ্য নিরাপত্তায় ভুগছে কথাটি সঠিক নয়। আমরা চাল, ভূট্টা ও মাছে স্বয়ংসম্পূর্ণ। খাদ্যের মজুদ যথেষ্ট আছে। আমরা এখনও চাল আমদানি করিনি, আমদানির প্রয়োজনও হবে না বলে আশা করি। সামনে যেন আমরা রপ্তানির দিকে এগিয়ে যেতে পারি।
সোমবার খাদ্য দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, খাদ্য ব্যবস্থাপনা না করতে পারলে দাম কমবে না। লাল চালে অনেক পুষ্টি আছে। যারা সচেতন তারা এটি খাচ্ছেন। খাদ্য ঘাটতি নিরসনে আমাদের আমদানি করতে হয়, বিদেশে হাত পাততে হয়। চাল ছেটে সরু চাল তৈরি করা হয়, এতে চালের একটা অংশ নষ্ট হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা পানির সদ্ব্যবহার শিখিনি, অনেকসময় ট্যাপ ছেড়ে রেখে দিই, কিন্তু মনে রাখতে হবে পানি ছাড়া ফসল হবে না, ফসল না হলে আমরা খেতে পারবো না। দিনদিন নানা কারণে জমি কমে যাচ্ছে, কিন্তু জনসংখ্যা বাড়ছে। ফুড ডাইভার্সিটি তৈরিতে সরকার কাজ করছে। দেশি গবেষকরাই নতুন নতুন ধানের বীজ তৈরি করছে। প্রতি বিঘায় ৩০-৩৫ মণ ধান উৎপাদন হচ্ছে। জলবায়ুর প্রভাবে বা প্রকৃতি আঘাত না হানলে এবার আমনের বাম্পার ফলন হবে।
এ সময় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে খাদ্য সচিব মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘খাদ্য থাকলে হবে না, খাদ্যের অ্যাকসেস থাকতে হবে, না হলে খাদ্য নিরাপত্তা নষ্ট হবে। এগ্রিকালচার প্রোডাকশন ভালো হচ্ছে মানে এই না যে, বছরের পর বছর ভালো হবে। সামনে যেকোনো সংকট মোকাবিলার প্রস্তুতি নিতে হবে।’



