
নির্বাচনের খেলা শেষ, এখন রাজনীতির খেলা হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধেও খেলা হবে। খেলা হবে হরতাল ও আগুন-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে। শনিবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত শান্তি ও গণতন্ত্র সমাবেশে একথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দেশের মানুষ সংকটে পড়লে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হৃদয়ে আঘাত লাগে। সামনে পবিত্র রমজান মাস, অচিরেই আমরা দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আনতে পারব। আস্থা হারাবেন না। বিএনপির কথায় কান দেবেন না।’
বিপুল ভোটে আওয়ামী লীগ নির্বাচিত হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বিদেশীদের ভয় দেখান? ৪১ দশমিক ৮ শতাংশ ভোটারের ভোটে সরকার গঠিত হয়েছে। এ সরকার জনগণের সরকার, নির্বাচিত সরকার। যেখানে ২৮টি দল অংশ নিয়েছে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরকারকে যারা বিদেশীদের ভয় দেখায়, তাদের দেশপ্রেম নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। চীন, ভারত, রাশিয়া আমাদের বন্ধু হতে পারে। কিন্তু আমাদের সরকারকে কোনো বিদেশী শক্তি ক্ষমতায় বসায়নি। দেশের মানুষের বিপুল ভোটে এ সরকার নির্বাচিত হয়েছে।
বিএনপির আন্দোলন কবে হবে প্রশ্ন রেখে ওবায়দুল কাদের বলেন, ১৫ বছর গেল, সামনে আরো ৫ বছর। লন্ডনের তারেক রহমানে আর কারো আস্থা নেই। নেতাকর্মীরা এখন আর তারেকের ফরমায়েশে কান দেয় না।
কাদের বলেন, কালো পতাকা মানে শোকের মিছিল। এ আরেক ভুয়া কর্মসূচি। ৩০ তারিখে আবার ডেকেছে, সেটাও ভুয়া। আপনারা সবাই ৩০ জানুয়ারি সকাল থেকে মাঠে থাকবেন।
এ সময় তিনি ৩০ জানুয়ারি লাল-সবুজের পতাকা হাতে সারা দেশে শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশের ডাক দেন।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের যেসকল নেতাকর্মী ৩০ তারিখে পতাকা হাতে ‘শান্তি, গণতন্ত্র ও উন্নয়ন’ সমাবেশে অংশ নেবেন। তারা সতর্ক পাহারায় থাকবেন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মন্নাফীর। সঞ্চালন করেন সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হকসহ অনেকে।



