
প্রধান খবরবাংলাদেশ
নিস্তব্ধ বাংলাদেশের রাজধানী
করোনাভাইরাসের সংক্রামণ ঠেকাতে আজ বৃহস্পতিবার থেকে ঢাকার রাস্তায় চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছে পুলিশ।
এ সময় সেনাবাহিনীও মাঠে থাকবে।
প্রয়োজন ছাড়া কাউকে রাস্তায় থাকতে দেওয়া হবে না। কেউ বের হলে তাকে পুলিশের জেরার মুখে পড়তে হচ্ছে। তবে সংবাদপত্রসহ জরুরি সেবাগুলো এর আওতামুক্ত।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার সড়কে দু-চারটি প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেল ছাড়া গণপরিবহন দেখা যায় নি।
জরুরি সেবার যান ও মালবাহী ট্রাকও খুব একটা দেখা যায় নি।
বিভিন্ন স্পটে আইনশৃংখলাবাহিনী সড়কে অবস্থান নিয়ে আছেন।
মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার দেখলেই থামাচ্ছেন পুলিশ সদস্যরা। জানতে চাচ্ছেন কেন বের হয়েছেন, কোথায় যাচ্ছেন?
জানা যায়, পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তারা বৈঠক করেছেন।
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) জাবেদ পাটোয়ারী বুধবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার থেকে লোকজন যাতে রাস্তায় বের না হতে পারে, সেটা নিশ্চিত করতে বলেছেন আইজিপি।
বুধবার থেকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে কাজ শুরু করেছে সশস্ত্র বাহিনী। রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে নাগরিকদের সঙ্গনিরোধ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে তারা।
উল্লেখ্য বাংলাদেশে এ ভাইরাস শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। এরপর দিন দিন এ ভাইরাসে সংক্রমণের সংখ্যা বেড়েছে।
সর্বশেষ হিসাবে দেশে এখন পর্যন্ত ৩৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন, মারা গেছেন ৫ জন।
এ ভাইরাসের সংক্রামণ ঠেকাতে এরই মধ্যে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে সভা-সমাবেশ ও গণজমায়েতের ওপর। চারটি দেশ ও অঞ্চল ছাড়া সব দেশ থেকেই যাত্রী আসা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার।
বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বাস, ট্রেন, লঞ্চসহ সব ধরনের গণপরিবহন।
এ কার্যক্রমে স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তার জন্য দেশের সব জেলায় মোতায়েন করা হয়েছে সশস্ত্র বাহিনী। ♦



