
যুক্তরাজ্যে লকডাউনেও আন্দোলনের বৈধতার আবেদন!
যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রীতি প্যাটেলের কাছে ৬০ জনেরও বেশি ব্রিটিশ আইনপ্রণেতা লকডাউন চলাকালীন আন্দোলনের বৈধতা চেয়েছেন। ইংল্যান্ডের করোনাভাইরাস সতর্কতার অংশ হিসেবে আন্দোলনের উদ্দেশ্যে একই স্থানে গণজমায়েত নিষিদ্ধ।
কিন্তু সম্প্রতি লকডাউন চলাকালীন আন্দোলনকারীরা গণজমায়েতের কারণে পুলিশি নির্যাতন ও হেনস্তার শিকার হলে এই আবেদন করেন তারা।
আন্দোলনকারীরা চলতি লকডাউনের বিপক্ষে কথা বলতেই মাঠে নেমেছিল। সেন্ট্রাল লন্ডনের দিকে আন্দোলনে যোগদানের উদ্দেশ্যে আসতে তাই পুলিশের নিষেধ ছিল।
কিন্তু ১৩ মার্চ এই আন্দোলনে ৩৩ বছর বয়সী সারাহ এভারার্ডকে অপহরণ ও হত্যার অভিযোগ আনা হয় একজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। আর এরপরেই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
সংসদের রক্ষণশীল দলের সদস্য স্টিভ বেকার, এড ডেভারিসহ লিবারেল ডেমোক্র্যাটদের অনেকেই মন্তব্য করেন, আন্দোলনকে অপরাধ হিসেবে দেখা উচিত নয়।
এদিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে ২৯ মার্চ পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, লকডাউনের নিয়ম ভাঙার কারণে আন্দোলনকারীদের জরিমানা কিংবা গ্রেপ্তার করা হতে পারে।❐



