
আজ মোদি রামমন্দির উদ্বোধন করবেন
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজ রামমন্দির উদ্বোধন করবেন। রামমন্দির উদ্বোধন উপলক্ষে উত্তর প্রদেশের অযোধ্যা শহরে জড়ো হয়েছে হাজারো মানুষ। তবে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি ভারতের সাধারণ মানুষের একাংশ মোদির রামমন্দিরের উদ্বোধন প্রত্যাখ্যান করেছে।
রামমন্দির প্রতিষ্ঠা মোদির ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সরকারের অন্যতম রাজনৈতিক অঙ্গীকার। এ প্রতিশ্রুতি পূরণ চলতি বছর অনুষ্ঠেয় লোকসভা নির্বাচনের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
রামমন্দির উদ্বোধন ঘিরে ভারতের উত্তর প্রদেশের অযোধ্যাকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে রাজ্যের সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াডের (এটিএস) সদস্যদের।
অযোধ্যা পুলিশ জানিয়েছে, অনুষ্ঠান ঘিরে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিস্তৃত পরিসরে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ড্রোনের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হবে।
তিনতলা বিশিষ্ট রামমন্দিরের শুধু গ্রাউন্ড ফ্লোর বা নিচতলাই আজকে উদ্বোধন করবেন মোদি। এখানে গত সপ্তাহেই পাঁচ বছর বয়সি শ্রীরামের বিগ্রহ স্থাপন করা হয়েছে। মোদি আজকে এটাতে বিভিন্ন ধর্মীয় আচারের মাধ্যমে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন। এটা করার জন্য ১১ দিন কঠোর নিয়ম মেনে চলেছেন তিনি।
বিরোধীদের অভিযোগ রামমন্দিরকে রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। তারা ধর্মকে বিভেদ নয়, বরং ঐক্যের জন্য ব্যবহার করতে চায়।
আমন্ত্রণ সত্ত্বেও আজকের রামমন্দির উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস। এ ছাড়া শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে, সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব, তৃণমূল কংগ্রেসের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিংবা সিপিএমের সীতারাম ইয়েচুরিও জানিয়ে দিয়েছেন, ওই অনুষ্ঠানে তারা যাবেন না।
রামমন্দির চলতি বছরের শেষে সম্পূর্ণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সম্পূর্ণ হলে এতে দৈনিক প্রায় দেড় লাখ পুর্ণার্থী ও দর্শনার্থীর সমাগম হবে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।
রামমন্দির প্রতিষ্ঠাকে কেন্দ্র করে অযোগ্যায় একটি সম্পূর্ণ নতুন রেলস্টেশন ও বিমানবন্দর তৈরি করা হয়েছে। বড় বড় রাস্তাসহ অন্য অবকাঠামোও তৈরি করা হয়েছে। এসব তৈরি করার সময় অনেক অনিয়ম হয়েছে এবং পরিবেশের বিষয়টি আমলে নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
সূত্র : বিবিসি, এনডিটিভি



