
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: বিমান বাহিনীর সহযোগিতায় চিকিৎসা ও কাউন্সেলিং
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সেই বিভীষিকাময় দুপুর পেরিয়ে গেছে এক সপ্তাহ আগে। তবে স্মৃতি এখনও ছাত্র, শিক্ষক আর অভিভাবকদের তাড়া করে ফিরছে। ভাঙা দেয়াল আর পোড়া গাছের পাশে ফুটে ওঠা একটি ফুল যেন বলছে-জীবন থেমে থাকে না।
ধীরে ধীরে স্কুল ক্যাম্পাসে ফিরছে স্বাভাবিক ছন্দ। কিন্তু এখনও কেউ ভুলতে পারছে না সেই আতঙ্ক, সেই কান্না। বিমান বাহিনীর সহযোগিতায় চিকিৎসা ও কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তবে শ্রেণি কার্যক্রম ঠিক কবে থেকে শুরু হবে, সে সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।
‘ইট পাথরে আবৃত শহর ঢাকা সেথায় এক স্বপ্ন সারথির আঁকা সবুজে সবুজ ক্যাম্পাস প্রশান্তিময় শত প্রজাতির পুষ্পে পুষ্পময়।’
মাইলস্টোনের হায়দার আলী ভবনের ঠিক পাশে থাকা সাইনবোর্ডের এই বাক্য গুলোকে সত্যি প্রমাণ করতেই যেন পোড়া গাছেও দেখা মিলল ফুল। দুর্ঘটনার সপ্তাহ পেরিয়ে ধীরে ধীরে যেন এভাবেই স্বাভাবিক হচ্ছে স্কুল প্রাঙ্গণ।
স্বাভাবিক করার সেই প্রস্তুতির মাঝেও দুর্ঘটনায় ভয়াবহতা, শিক্ষার্থী আর সহকর্মীদের হারানোর শোক তাড়া করে বেড়াচ্ছে প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের।
এখানকার কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের কাউন্সেলিং এবং চিকিৎসার জন্য আগামী সাত দিনের অস্থায়ী মেডিকেল ক্যাম্প করেছে বিমানবাহিনী। কাউন্সেলিংয়ে আসা অনেকেই এখনো মানসিক ভাবে দুর্বল হয়ে আছেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
এদিকে আগে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, সোমবার পর্যন্ত স্কুল বন্ধ থাকবে। তবে কবে নাগাদ শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে সেটা নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত আসেনি।



