আমরা খালি প্রেজেন্টেশান বানাইনি, বিনিয়োগকারীদের সাহায্যের আপ্রাণ চেষ্টা করেছি: আশিক চৌধুরী
বিডা-বেজা-পিপিপি অথরিটিতে খালি প্রেজেন্টেশান বানাননি, বিনিয়োগকারীদের সাহায্য করার আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন। আজ সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে এ কথা জানান তিনি।
প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগের (এফডিআই) একটি কার্ড শেয়ার করেছেন আশিক চৌধুরী। এতে দেখানো হয়েছে, গত বছর দেশে বিনিয়োগ ১৯.১৩ শতাংশ বিনিয়োগ বেড়েছে।
বিডা নির্বাহী চেয়ারম্যান লিখেছেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গুণ হলো শত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও বাউন্স ব্যাক করার অদ্ভুত ক্ষমতা। পরিসংখ্যানটি তার দারুণ একটা প্রতিফলন।
তিনি লিখেছেন, সাধারণত গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে বিদেশি বিনিয়োগ প্রচণ্ডভাবে হ্রাস পায়। কিন্তু আমরা দেখছি উল্টা। সঠিক ইকোনমিক পলিসি সেট করা থেকে শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক, এনবিআর, ইত্যাদি সংস্থার আন্তরিকতা, আমাদের প্রাইভেট সেক্টরের অদম্য স্পৃহা, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এটা হয়েছে।
আশিক চৌধুরী লিখেছেন, বিডা-বেজা-পিপিপি অথরিটিতেও আমরা খালি প্রেজেন্টেশান বানাইনি, বিনিয়োগকারীদের সাহায্য করার আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। সব সমস্যার সমাধান হয়নি। কিন্তু সদিচ্ছার কোনো ত্রুটি ছিল না। আমরা শিগগিরই আমাদের সারা বছরের একটা আমলনামা (রিপোর্ট কার্ড) প্রকাশ করবো।
তিনি আরও লিখেছেন, সমালোচনা আমাদের প্রাপ্য। তারপরও যারা সারা বছর ধরে আমাদের সাহস ও উৎসাহ যুগিয়ে গেছেন, তাদের অনেক ধন্যবাদ। আর আমার ফেসবুকসর্বস্ব জার্নালিস্ট শুভাকাঙ্ক্ষীরা আপাতত একটু চোখ বন্ধ করে রাহুল দেব বর্মন এর সুরে গুনগুন করতে পারেন:
হুম এ কি হল, কেন হল, কবে হল, জানি না শুরু হল, শেষ হল, কী যে হল, জানি না তো!
আশিক চৌধুরী লিখেছেন, সামনে নির্বাচন। নির্বাচনের ঠিক আগে এফডিআই স্বভাবত কারণেই আবার ড্রপ করবে। পরে আবার ব্যালান্সড হয়ে যাবে। আমাদের মানসিকভাবে আরেকটু লং গেম খেলতে হবে।



