
রন্টি দাশ : প্রতিভা, অধ্যবসায় ও সুরের নিখুঁত সমন্বয়
আশরাফুল হাবিব মিহির: বাংলাদেশের এই প্রজন্মের অন্যতম প্রতিভাবান কণ্ঠশিল্পী রন্টি দাশ তাঁর সুরেলা কণ্ঠ, আবেগময় গায়কি ও মুগ্ধকর পরিবেশনার মাধ্যমে শ্রোতাদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। ২০০৬ সালের জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘ক্লোজআপ ওয়ান’ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সংগীতাঙ্গনে আত্মপ্রকাশ করা এই শিল্পী দেশের আধুনিক ও প্লেব্যাক সংগীতের জগতে এক উজ্জ্বল নাম।
২০১৪ সালে প্রকাশিত ‘দেখো আমারি খুশিতে’ গানটি এবং ২০১৭ সালের একক গান ‘ডাকাতি’ শ্রোতাদের মধ্যে সাড়া ফেলে। কেবল গান প্রকাশেই সীমাবদ্ধ থাকেননি তিনি, দেশ-বিদেশের কনসার্ট ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশের সংগীতকে বিশ্বমঞ্চে পৌঁছে দিয়েছেন এক নতুন উচ্চতায়।
সম্প্রতি রন্টি দাশ নিউ ইয়র্কে প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছেন একটি ব্যতিক্রমী সংগীত বিদ্যালয়— “রন্টি’স মিউজিক কিচেন”। এখানে শেখানো হবে ক্ল্যাসিক্যাল, নজরুল, রবীন্দ্র, দেশাত্মবোধক, আধুনিক ও লোকসংগীতসহ নানা ধারার গান। বিদ্যালয়টিতে থাকবে বিশেষ ভয়েস ট্রেনিং কোর্স, পাশাপাশি অনলাইন ও অফলাইন -উভয় মাধ্যমে শেখার সুযোগ। সবচেয়ে প্রশংসনীয় দিক হলো, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য থাকবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সংগীত শেখার ব্যবস্থা।
তিনি ইতিমধ্যেই বহু চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করে নিজের অবস্থান আরও মজবুত করেছেন, যেমন – ‘শুভ বিবাহ’, ‘খোঁজ: দ্য সার্চ’, ‘কার্তুজ’, ‘দ্য স্পিড’, ‘অন্তরনৃগ’, এবং ‘বস্তির ছেলে কোটিপতি’। তাঁর জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘দেখো আমারি খুশিতে’, ‘হ্যালো বৃষ্টি’, ‘হৃদয় যেখানে’, ‘রং’, ‘উড়ালিয়া’, ‘ডাকাতি’, ‘বাফর বাড়ি’, ‘একেলা’ ও ‘অভিমানি’।



