
দ. কোরিয়া থেকে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সরানোর খবর অস্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের
যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে যে, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাড মধ্যপ্রাচ্যে সরানো হয়নি। মঙ্গলবার এ কথা জানিয়েছেন কোরিয়ায় মার্কিন বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল জেভিয়ার ব্রুনসন।
এর আগে মার্চ মাসে ওয়াশিংটন পোস্ট দুজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছিল, পেন্টাগন দক্ষিণ কোরিয়া থেকে থাড সিস্টেমের কিছু অংশ মধ্যপ্রাচ্যে পাঠাচ্ছে। এরপর এই বিষয়ে মুখ খুলেছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টও। লি জায়ে মিউং বলেন, ওয়াশিংটন উপদ্বীপ থেকে অস্ত্র সরিয়ে নিলেও সিউল উত্তর কোরিয়ার যেকোনো হুমকি মোকাবেলা করতে পারবে। তবে এবার সে বিষয়টি অস্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন তৈরি থাড সিস্টেম উঁচুতে থাকা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে পারে। পারমাণবিক অস্ত্রধারী উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে সুরক্ষার জন্য এটি দক্ষিণ কোরিয়ায় মোতায়েন করা হয়েছিল।
সিনেটের একটি কমিটির শুনানিতে ডেমোক্রেটিক সিনেটর গ্যারি পিটার্স জেনারেল ব্রুনসনকে প্রশ্ন করেন। থাড সরিয়ে নিলে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ দুর্বল হয়ে পড়বে কিনা, দক্ষিণ কোরিয়ার এই উদ্বেগের বিষয়ে তিনি জানতে চান। জবাবে ব্রুনসন বলেন, ‘আমরা কোনো থাড সিস্টেম সরাইনি। থাড এখনো উপদ্বীপে আছে। তবে আমরা গোলাবারুদ পাঠাচ্ছি, সেগুলো এখন যাওয়ার অপেক্ষায় আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগে কিছু রাডার সামনে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এটা মিডনাইট হ্যামারের আগের কথা।’ মিডনাইট হ্যামার হলো গত জুনে ইরানে মার্কিন হামলার অভিযানের নাম।
ব্রুনসন বলেন, ‘সেসবের কিছু এখনো ফেরত আসেনি। তবে থাড সিস্টেমগুলো নিজেরা উপদ্বীপেই আছে।’ তিনি জানান, সেগুলো সেখানেই থাকবে বলে তিনি আশা করেন।
তিনি বলেন, ‘আমি সেগুলো এদিক-ওদিক সরিয়েছিলাম। আমার মনে হয় এতেই ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। আমি সেগুলো এদিক-ওদিক নিয়েছিলাম, যাতে ওসান বিমান ঘাঁটিতে নিয়ে গোলাবারুদ যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে পারি। এটাই উপদ্বীপে বড় একটা ঝামেলার কারণ হয়েছিল।’ ওসান দক্ষিণ কোরিয়ার দুটি প্রধান মার্কিন বিমান ঘাঁটির একটি।



