
১০২ দিন কারাবন্দী থাকার পর জামিন পেলেন আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলম
আর এন শুভ্র
রূপসী বাংলা ঢাকা ডেস্ক: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মামলায় আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলম ১০২ দিন কারাবন্দী থাকার পর জামিন পেয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি শেখ আব্দুল আউয়াল ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেন। এর ফলে তার মুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই।
আদালতে শহীদুলের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সারা হোসেন আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফজলুর রহমান খান (এফআর খান)।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মামলায় শহিদুল আলমের জামিন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৭ অক্টোবর বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল দেন। কেন তাঁকে জামিন দেওয়া হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়।
গত ১ নভেম্বর শহিদুল আলমের জামিন আবেদন কার্য তালিকা থেকে বাদ দেয় হাইকোর্টের অন্য একটি বেঞ্চ। ৬ নভেম্বর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের আইনজীবীরা হাইকোর্টে পুনরায় জামিন আবেদন উপস্থাপন করেন, যা গতকাল বেলা দুইটায় শুনানির জন্য কার্যতালিকায় ছিল। পরে শহিদুল আলম অসুস্থ থাকায় এক দিন সময় চাওয়া হয়। আদালত আজ বেলা দুইটায় শুনানির জন্য সময় নির্ধারণ করেন।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৯ জুলাই সড়ক দুর্ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর বিচারের দাবিতে রাস্তায় নামে স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় শহিদুল আলম আল-জাজিরা টেলিভিশনে সাক্ষাৎকার দেন। এরপর তাকে গত ৫ আগস্ট ঢাকা নিজ বাসভবন থেকে গ্রেফতার করা হয়ে। আটক করে তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা করা হয়।
আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলম বর্তমানে কারাগারে আছেন।
তথ্য ও ছবি সংগৃহীত



