
যুদ্ধাপরাধে যাদের বিচার হয়েছে তাদের সন্তানরা ঐক্যফ্রন্টের হাত থেকে নমিনেশন পাচ্ছেন: প্রধানমন্ত্রী
রূপসী বাংলা ঢাকা ডেস্ক রিপোর্ট: আজ সোমবার ১৭ ডিসেম্বর রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যুদ্ধাপরাধে যাদের বিচার হয়েছে তাদের সন্তানরা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের হাত থেকে নির্বাচনের নমিনেশন পাচ্ছেন। আসলে ঐক্যের নামে ২১ আগস্টের খুনি ও অগ্নি সন্ত্রাসদের উদ্ধারে নেমেছেন ড. কামাল হোসেনরা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা আদর্শের বুলি আওড়ায় তারা আদর্শ হারিয়ে খুনিদের সাথে হাত মিলিয়েছে। আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন আইনজীবীও খুনিদের বাঁচাতে মরিয়া। কিসের স্বার্থে এই খুনিদের সাথে হাত মেলাল তারা? তিনি বলেন, যে ঐক্যফ্রন্ট হয়েছে তাদের প্রধানমন্ত্রী কে হবে সেটি এখনও প্রকাশ করা হয় নি। এতিমের টাকা আত্মসাতকারী নাকি ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করা খুনি, নাকি যুদ্ধাপরাধী? কে হবে প্রধানমন্ত্রী?
মানুষের জীবনযাত্রার উন্নয়নের জন্য আরও পাঁচটি বছর ক্ষমতায় থাকা একান্ত প্রয়োজন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে মানুষের জীবন মান পাল্টে দিয়েছে। বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করা হয়েছে। দেশ থেকে ক্ষুধা-দারিদ্র দূর করা হয়েছে। দেশের প্রত্যেকটি মানুষ এখন তিন বেলা খাবার পাচ্ছে, শান্তিতে ঘুমানোর নিশ্চয়তা পাচ্ছে। ফের ক্ষমতায় আসলে দেশের আরও উন্নয়ন হবে।
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী, দুর্নীতিবাজ, টাকা পাচারকারী এবং এতিমদের অর্থ লুটকারীরা ক্ষমতায় এলে দেশের উন্নয়ন বন্ধ হয়ে যাবে। দেশ আবার অন্ধকার যুগে ফিরে যাবে। তাই দেশের মানুষকে নৌকাকে বিজয়ী করে সরকারের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে হবে। শেখ হাসিনা বলেন, উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে আমরা সম্মান পেয়েছি। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে এগিয়ে যাওয়া অব্যাহত থাকবে। ক্ষমতায় থেকেই আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালন করব।



