
ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শিবির নেতাকে মারধর, অভিযোগ ছাত্রদলের বিরুদ্ধে
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে আওয়ামী লীগ সন্দেহে ছাত্রশিবিরের এক নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীর আগের দিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর সেখানে আওয়ামী লীগ সন্দেহে আরও এক ব্যক্তিকে মারধর এবং এক নারীকে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে।
এছাড়া তিনজনকে আওয়ামী লীগ সন্দেহে মারধর করে পুলিশে দেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যেই আওয়ামী লীগ সন্দেহে ছাত্রশিবিরের ঢাকা কলেজ ইউনিটের প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক মো. মামুনকে মারধরের ঘটনা ঘটে।
আহত এই শিবির নেতার অভিযোগ, তিনি এখানে আসার পর কিছু লোক তাকে মারধর করে। কাছেপিঠেই পুলিশ ছিল। তিনি অনেক ডেকেও পুলিশের কোনো সাড়া পাননি। এসময় আহাদ নামে ঢাকা কলেজ ছাত্রশিবিরের এক সদস্যকেও মারধরকারীরা ধাক্কাতে ধাক্কাতে নিয়ে যায়।
তবে কিছুক্ষণ পর বিষয়টা নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ঢাকা কলেজ ছাত্রশিবিরের সদস্য মো. তাওহীদুল ইসলাম।

এ বিষয়ে কথা বলতে স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাদের স্থানীয় কাউকে পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে যেসব নেতা ছিলেন তাদের কেউ কথা বলতে চাননি।
এদিকে রাত ১০টায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কটিতে বিএনপির স্থানীয় বিভিন্ন নেতার নাম করে দফায় দফায় মিছিল করছিলেন কিছু নেতাকর্মী। তারা শেখ হাসিনার ফাঁসিও দাবি করছিলেন স্লোগানে স্লোগানে।
এর আগে থেকেই অবশ্য ৩২ নম্বর সড়কে করা নিরাপত্তা বসিয়েছে পুলিশ। ৩২ নম্বরে ঢোকার মুখেই একটি জল কামানসহ সাজোয়া গাড়ি নিয়ে পুলিশ সদস্যরা অবস্থান করছেন।

রাতে ঘটনাস্থলে এসে পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার মো. মাসুদ আলম বলেন, “এখানে মব করার কোনো সুযোগ নেই। কাউকেই সে সুযোগ দেওয়া হবে না।”
সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, “নিরীহ কেউ যাতে হয়রানির শিকার না হয় সে বিষয়ে আমরা সচেষ্ট রয়েছি। কথা বলে, মোবাইল বা অন্যভাবে যাচাই করে নিশ্চিত না হয়ে কারো বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।”



