
তূয়া নূর
খুব ইচ্ছে হয়
নিষেধের পায়ে দেই শক্ত দড়ি
আটকে রাখি দাদীমার লোহার সিন্দুকে তালা দিয়ে।
দু’ হাত তুলে অবরোধ করি পথ।
ফুটবল পায়ে নিয়ে খেলার মাঠ জুড়ে দৌড়ায়
সবাইকে তাক লাগিয়ে দুরন্ত নৈপুণ্যে গোলপোস্টের জালে তুলি ঝড়।
সাইকেলের প্যাডেল জোরে ঠেলে মোড়টায় এসে দাঁড়ায়,
যদি তার সাথে দেখা হয় বাসায় ফেরার পথে।
দেখা হয়, পাশাপাশি হাঁটি—
কোনদিন বলা হয়ে ওঠে নি কথাটা,
সব কথা জট পাকায়, দিক হারায় তেপান্তরের মাঠে,
তারপর ভীষণ মন খারাপ করে একা ফিরে আসা।
ইচ্ছে হয় শিকড় উপড়ে তুলে আনি এক হাতে—
অনভ্যস্তয় নিঃশ্বাসে পড়ে টান
ফুসফুস থেমে যায় হঠাৎ
মুখ থুবড়ে হুমড়ি খেয়ে করে পড়ি মাটিতে।
গড়ায়ে যায় সকার বল।
খুটোতে বাঁধা অদৃশ্য দড়িতে ষাঁড়।
নিষেধের পায়ে দড়ি দেই— এমন সাহস কই?



