
ইমন হোসেন
তুমি ‘গুড মর্নিং’ লিখে পাঠাতেই-
মেসেঞ্জারে ঝংকৃত হয় উচ্ছ্বাসের ধ্বনি,
অনাবিল আলোকে সেজে ওঠে,
সকালের ঘুম জড়ানো পৃথিবী।
তোমার ‘সুপ্রভাত’ বার্তা পেতেই,
বুকের বাগানে ফুটে উঠে রক্তগোলাপ,
বর্ণিল মাধবীলতা আর সুরভিত হাসনাহেনা!
তুমি ফিরে আসতেই মধ্যাহ্নের মেসেঞ্জার সাজায়,
তৃষ্ণাহীন প্রশান্ত সংসার।
অন্তর্জালের অদৃশ্য আকাশে ভেসে ওঠে,
আমাদের প্রেমময় বর্ণিল রঙধনু!
তোমার প্রতীক্ষায় থাকে মেসেঞ্জার,
আমি আর আমাদের প্রসন্ন বিকেল।
তোমার পদচিহ্ন পড়তেই,
পুলকিত বিকেল ছুটে যায় গোধূলির মোহনায়;
যুগল অনুভূতির আলো-ছায়ায় আমরা হয়ে উঠি,
এক ডালে বসে থাকা জোড়া শালিকের মতো-
পৃথিবীর সবচেয়ে উচ্ছ্বসিত কাপল!
তুমি কাছে আসতেই-
অন্তর্জালের সংসার ঘোষণা করে,
অন্তহীন উৎসবের রাত!
বর্নিল আলোকসজ্জায় সেজে উঠে,
প্রণয়ের প্রশান্ত পল্লী!
জোৎস্না প্লাবিত প্রান্তরে সহস্র জোনাকির ভিড়ে,
হাতে হাত রেখে হেঁটে চলি আমরা দুজন!
রাতজাগা পাখিদের অভ্যর্থনা আমাদের জানায়,
সীমাহীন শুভেচ্ছার অফুরন্ত প্রীতি।
নিয়ম করে ‘গুড নাইট’ বলা হয় না কখনোই,
কারণটা দুজনেরই জানা,
শুভরাত্রি মানেই,উপসংহারের অশুভ ইঙ্গিত!
আমাদের এই বন্ধন অনাদি অনন্তকালের,
মেসেঞ্জারের এই সংসারেই মিশেছে আমাদের পূর্বজন্ম,
এই জন্ম হতে যা আমাদের নিয়ে যাবে,
পুনর্জন্মের প্রতীক্ষিত বসন্তে!



