প্রধান খবরবাংলাদেশ

অগণিত মানুষের ভালোবাসা নিয়ে চিরনিদ্রায় সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম

রূপসী বাংলা ঢাকা ডেস্ক রিপোর্ট: অগণিত মানুষের শোক, শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

৬ জানুয়ারি রোববার বাদ আছর বনানী কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন করা হয়। এর আগে সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সৈয়দ আশরাফের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অংশ নেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন  রাজনৈতিক দলের সংসদ সদস্য, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য এবং হাজারো নেতা-কর্মী, গুণগ্রাহী ও সাধারণ মানুষ।

জানাজার পর সৈয়দ আশরাফকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেওয়া হয়। মুক্তিযুদ্ধে রণাঙ্গনে অংশ নেওয়ার জন্য তাকে ’গার্ড অব অনার’ দেয় বাংলাদেশ পুলিশের একটি চৌকস দল। এরপর তার কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর শ্রদ্ধা জানান স্পিকার ও জাতীয় সংসদের কর্মকর্তাবৃন্দ, আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দলীয় নেতারা এবং সৈয়দ আশরাফের পরিবারের সদস্যরা। পরে মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এ সময় মানুষের ঢল নামে। এরপর কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। কিশোরগঞ্জে জানাজায় অংশ নেন লাখো মানুষ।

এর আগে দুপুর ১টায় সৈয়দ আশরাফের মরদেহ হেলিক্প্টারযোগে কিশোরগঞ্জে এসে পৌঁছে। দুপুর ১টা ২০ মিনিটে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন শহরের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা খলিলুর রহমান। জানাজা শেষ হওয়ার পর সর্বস্তরের জনগণ তার কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এরপর কিশোরগঞ্জ থেকে সৈয়দ আশরাফের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় ময়মনসিংহে। সেখানে তৃতীয় জানাজা শেষে সৈয়দ আশরাফের মরদেহ ঢাকায় আনা হয়। যথাযোগ্য ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বনানী কবরস্থানে বাদ আছর চিরনিদ্রায় শায়িত করা সৈয়দ আশরাফকে। এখানেও স্বজনদের পাশাপাশি দলের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

গত ৩ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার রাতে ব্যাংককের একটি হাসপাতাল চিকিৎসাধীন অবস্থায় না ফেরার দেশে পাড়ি জমান দেশের এই ক্ষণজন্মা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। ৫  জানুয়ারি শনিবার সন্ধ্যায় সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহ ঢাকায় আনার পর রাতে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) হিমাগারে রাখা হয়।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

Adblock Detected

Please, Deactivate The Adblock Extension