
ইসরায়েলে ৩৪ রকেট হামলা
ইসরায়েলের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে লেবানন থেকে বেশ কয়েকটি রকেট ছোড়া হয়েছে। রমজানের মধ্যে টানা দুই দিন ধরে জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি পুলিশের হামলার জবাবে এসব রকেট হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে আল জাজিরা।
শুরুতে লেবানন থেকে একটি রকেট ছোড়ার কথা জানালেও পরবর্তীতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায়, ইসরায়েলের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে লেবানন থেকে ৩৪টি রকেট ছোড়া হয়েছে। এর মধ্যে ২৫টিকে প্রতিহত করা হয়েছে এবং অন্তত চারটি ইসরায়েলের ভেতরে পড়েছে। ২০০৬ সালের পর লেবানন থেকে ইসরায়েলের ওপর হওয়া এটিই সবচেয়ে বড় ধরনের হামলা।
হামলার পরে ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলের শ্লোমি ও মোশাভ বেটজেট শহরে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয় বলেও জানিয়েছে সেনাবাহিনী।
হামলার দায় এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী স্বীকার করেনি। তবে হামলার সঙ্গে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস জড়িত বলে দাবি করেছেন এক ইসরায়েলি সামরিক মুখপাত্র। একইসঙ্গে হামলার জন্য লেবানন সরকার দায়ী বলেও জানান তিনি। এ ছাড়া রকেট হামলায় ইরানের সংশ্লিষ্টতা অনুসন্ধান করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
এর আগে নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছিল, হামলার সঙ্গে লেবাননে অবস্থানরত ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলো জড়িত।
ইসরায়েলের এমডিএ অ্যাম্বুলেন্স সেবা জানিয়েছে, আজকের হামলায় তিনজন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া আরও বেশ কয়েকজন আতঙ্কজনিত চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন।
এদিকে এ হামলার পর পর মন্ত্রিসভার সঙ্গে বৈঠক করার কথা ছিল ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর। এ হামলার জবাব কীভাবে দেওয়া হবে সেটিই বৈঠকে নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলি কোহেন এক টুইটবার্তায় বলেন, ‘কেউ আমাদের পরীক্ষা করতে আসবেন না। আমরা আমাদের দেশ ও জনগণকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’



