
খালেদা জিয়া ছাড়া নির্বাচন করার চিন্তা সঠিক হবে না: ফখরুল
রূপসী বাংলা ডেস্ক:খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া নির্বাচন করার চিন্তা করলে তা সঠিক হবে না বলে নেতৃবৃন্দের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার রাজধানীর হোটেল এশিয়ার নাগরিক ঐক্য আয়োজিত ‘গ্রহণযোগ্য নির্বাচন, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চাই’ উপলক্ষে এক ইফতার মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।
জাতির নেতৃবৃন্দের প্রতি উদ্দেশ্য করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া নির্বাচন করার চিন্তা করলে তা সঠিক হবে না। আর যতক্ষণ পর্যন্ত লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি, নিরপেক্ষ সরকার, নিরপেক্ষ নির্বাচনে অধীনে নির্বাচন পরিচালিত হচ্ছে এবং সংসদ ভেঙে দিয়ে সেনাবাহিনী মোতায়েন না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে বলে, আমি মনে করি না।
নেতাদের প্রতি উদ্দেশ্য করে তিনি আরো বলেন, আজকে যে সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এ সংকট কোন ব্যক্তি ও দলের নয়। এ সংকট সমস্ত দেশের ও জাতির। আজকে গণতন্ত্রকে যেভাবে লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, মানুষের অধিকারগুলো যেভাবে হরণ করা হয়েছে, যার ফলে আমরা কেউ নিরাপদ নই। এ অবস্থার প্রেক্ষিতে আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ হতে না পারি তাহলে জাতি আমাদের ক্ষমা করবে না।
গণতন্ত্র পুনউদ্ধারে আবারও জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে দেশের সকল নেতা ও দলের প্রতি আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল।
আয়োজক সংগঠনের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার সভাপতিত্বে এতে বিকল্প ধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট একিউএম বদরুদ্দোজ্জা চৌধুরী, জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, গণস্বাস্থ বোর্ডের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিপ্লবী ওয়াকার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড সাইফুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, সোনার বাংলা পার্টির সভাপতি শেখ আব্দুল নূর, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হারুন-অর রশীদ, নাগরিক ঐক্য’র সমন্বয়কারী শহীদুল্লা কায়সার, মোমিনুল ইসলাম, জিন্নুর চৌধুরী দিপু, ইকবাল কবির, মো. মুদুল, ডা. জায়েদসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে ইফতারে বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এনডিপি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা প্রমুখ।
ইফতারে বিএনপির পক্ষে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।



