
দুর্জয়া নিধি
কখনো মনে হয়, আলোই আসলে মিথ্যে,
কারণ আলোয় সব মুখ দেখা যায়,
কিন্তু আত্মা— না।
মানুষ হাসে,
তবু সেই হাসির ভেতর ফাটল পড়ে থাকে—
নীরব, নিঃশব্দ, অথচ স্পষ্ট।
রাত যত গভীর হয়, আমি তত নিজেকে দেখি,
অচেনা, অথচ চেনা এক প্রতিচ্ছবি হয়ে—
যার চোখে আগুন, আর ভেতরে বরফ।
আমার ছায়া আজকাল কথা বলে,
বলে, ‘তুই বাঁচিস, কিন্তু বাঁচা জানিস না।’
আমি চুপ থাকি, কারণ
সত্য কখনো উচ্চারণ করা যায় না,
তাকে শুধু অনুভব করা যায়—
অন্ধকারের মতো, বা অনুতাপের মতো।
শেষে বুঝি,
আমরা কেউই সম্পূর্ণ আলো নই,
কেউই সম্পূর্ণ অন্ধকারও নই,
আমরা কেবল—
মধ্যরাতের ধূসর এক রঙ।



