
নিউ ইয়র্কে গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণে নতুন টেকনোলজি
রূপসী বাংলা নিউইয়র্ক প্রতিনিধি: নিউইয়র্কে গাড়ির গতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি প্রকল্প হাতে নিচ্ছে সিটি। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে প্রযুক্তিগত ব্যবস্থায় স্বয়ংক্রিয়ভাবেই গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রিত হবে। গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ করবে টেকনোলজি। চালক চাইলেও সর্বোচ্চ গতিসীমার চাইতে বেশি স্পীডে গাড়ি চালাতে পারবেন না। সর্বোচ্চ গতিসীমার চাইতে বেশি স্পীডে চালাতে চাইলে স্বয়ংক্রিয় টেকনোলজি গাড়ির গতি কমিয়ে আনবে।
এই প্রযুক্তি সার্বক্ষনিকভাবে জিপিএস-এর মাধ্যমে গাড়ির অবস্থান এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার গতিসীমা মনিটর করবে। সাথে সাথে চালককেও সর্তকবার্তা প্রেরণ করবে। একই সাথে গাড়ির গতিও রেকর্ড হবে সিস্টেমে। তবে সর্বোচ্চ গতিসীমার সাথে অতিরিক্ত ৫ মাইল সংযোজিত হবে। এর বেশি হলেই টেকনোলজি গাড়ির গতি নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিবে। কমিয়ে ফেলবে ওভার স্পিডিং।
এমন একটি আইন তৈরির জন্য নিউ ইয়র্ক স্টেট সিনেটর ব্রাড হোলিম্যান বিল উত্থাপন করেছেন। স্টেট সিনেটে উত্থাপিত এই বিলে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারির পর নির্মিত সকল গাড়িতে এই ধরনের এডভানসড টেকনোলজি সংযোজন করতে হবে। এই টেকনোলজি ছাড়া কোন গাড়ি নিউইয়র্কে বিক্রির অনুমতি দেয়া হবে না। এই টেকনোলজিতে ইন্টেলিজেন্ট স্পিড এসিসট্যান্স (আইএসএ), এডভান্সড ইমারজেন্সী ব্রেকিং (এইবি),ইমারজেন্সী লেন স্কিপিং সিস্টেম (ইএলএসএস), ব্লাইন্ড স্পট ইনফরমেশন সিস্টেম (বিএসআইএস), ড্রাউজিনেস ও ডিসট্রাকসন রিকগনিশন টেকনোলজি, ডাটা রের্কডার ও সেন্সর ক্যামেরা সংযোজিত হবে।
ইতোমধ্যেই নিউইয়র্ক সিটি মেয়র এরিক এডামস এ ধরনের প্রযুক্তি সম্বলিত একটি পাইলট প্রজেক্ট হাতে নিয়েছেন। এতে সিটির ৫০টি গাড়িতে ইন্টিলিজেন্ট স্পিড এসিসট্যান্স (আইএসএ) টেকনোলোজি সংযোজিত করা হয়েছে। যাতে সিটির কর্মকর্তারা চাইলেই ওভার স্পিডিং করতে পারবেন না। করলেও টেকনোলোজি তা থামিয়ে দিবে। সাথে সাথে ডাটা রেকর্ড হবে সিস্টেমে। এতে চালক গতিসীমা অতিক্রমের চেষ্টায় প্রশাসনিক অ্যাকশনের মুখোমুখি হতে পারেন। সিটির ৯টি এজেন্সীতে এ ধরনের গাড়ি দেয়া হয়েছে। এ প্রজেক্ট সফল হলে মেয়র আরও আইএসএ টেকনোলজি সম্বলিত গাড়ি কিনবেন আগামী বছর। ইউরোপীয়ান দেশগুলোতে নতুন গাড়িতে আইএসএ টেকনোলজি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে ইতোমধ্যেই।



