
শেখ হাসিনা দেশে ফিরে না এলে আজকের এই উন্নয়নের বাংলদেশ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হোত না:ডঃপ্রদীপ রঞ্জন কর
রূপসী বাংলা ডেস্ক:বাকসু’র সাবেক জিএস ও আওয়ামীলীগ নেতা ডঃ প্রদীপ রঞ্জন কর জননেএী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে এক বিবৃতি দেন। বিবৃতিতে তিনি বলেন,একাশির ১৭ মে জননেএী শেখ হাসিনার দেশে ফিরে না এলে আজকের এই উন্নয়নের বাংলদেশ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হোত না।কারন হিসাবে তিনি ব্যাখ্যা করেন- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনকসহ পরিবারের উপস্থিত সকল সদস্যের রক্তাক্ত, নিষ্ঠুর, পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের পর আওয়ামীলীগকে ধংস ও রাষ্ট্র গঠনের চেতনাকে ভূ-লুণ্ঠিত করে দেশ যখন উল্টপথে পরিচালিত হচ্ছিল। এমনি এক শ্বাসরুদ্ধকর, বিভীষিকাময় রাজনৈতিক পটভূমিতে জননেএী শেখ হাসিনাএকাশির ফেব্রুয়ারিতে তিন দিনব্যাপী আওয়ামী লীগের দ্বিবার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশন সম্মতিক্রমে দলের সভানেত্রী নির্বাচন হন।
ছয় বছর বিদেশে নির্বাসিত থেকে একাশির ১৭ মে জননেএী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। এ দিন তিনি বাংলার মাটিতে পা রেখে জাতির পিতা ও একাত্তরের শহীদদের রক্তের নামে শপথ নিয়ে বলেছিলেন ১৫ আগস্টের হত্যাকারীদের বিচার, সেনা শাসকদের কবল থেকে জনগণেরগনতন্ত্রাএিক অধিকার আদায় এবং মুক্তিযুদ্ধের ধারায় দেশকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবেন। প্রথম দিন থেকেই তিনি এক নিরবচ্ছিন্ন কঠিন সংগ্রাম চালিয়ে আসছেন যা অদ্যবদি অব্যহত রয়েছে। বিগত সময়ে ২৩-২৪ বার তাঁর প্রাণনাশের চেষ্টা হয়েছে। অনেক ষড়যন্ত্র, অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে শেখ হাসিনার নেতৃত্ব বাংলাদেশ আজ বহির্বিশ্বে সমাদৃত ও উন্নয়নের মডেল হিসাবে প্রতিষ্ঠিত । তিনি আজ বিশ্বে সৎ, সাহসী, দুর্নীতিমুক্ত, জনগণের জন্য নিবেদিতপ্রাণ,দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, আত্মপ্রত্যয়ী রাজনৈতিক গুণের অধিকারী হিসাবেপ্রতিষ্ঠিত ।
জননেএী শেখ হাসিনার সফল নেতৃত্বের ফলেই আওয়ামী লীগ তিনবার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসেছে। আওয়ামী লীগের এই শাসন আমলেই দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের নতুন মাত্রা সূচিত হয়েছে। বাংলাদেশ উন্নীত হয়েছে উন্নয়নশীল দেশে।
আগামী ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছেন শেখ হাসিনা। ইতোমধ্যেই দেশ নিম্ন -মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। পাশাপাশি শেখ হাসিনার হাত দিয়েই বাংলাদেশে তথ্য-প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসার ঘটেছে এবং উন্নত তথ্য-প্রযুক্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহ বঙ্গবন্ধ-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বেরই সফলতা। তার দূরদৃষ্টি, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং জনকল্যাণমুখী কার্যক্রমে দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। ক্রমাগত প্রবৃদ্ধি অর্জনসহ মাথাপিছু আয় বাড়ছে, কমছে দারিদ্র্যের হার। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতুর মতো বৃহত্ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ এগিয়ে চলেছে। দেশকে একটি সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলায় পরিণত করতে তিনি ‘ভিশন ২০২১’ ও ‘ভিশন ২০৪১’ কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে শেখ হাসিনার এসব যুগান্তকারী কর্মসূচি বাংলার ইতিহাসে তার অবদান চিরভাস্বর হয়ে থাকবে। গণতন্ত্রের উন্নয়নে এবং আধুনিক, ও অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ায় অসামান্য অবদান রাখার জন্যে শেখ হাসিনার সুন্দর জীবন ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।
প্রধানমন্ত্রী জননেএী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় না থাকলে দেশের চলমান উন্নয়ন বন্ধ হয়ে যাবে। তিনি ক্ষমতায় এসে অন্ধকার বাংলাদেশকে আলোকিত করেছেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জঙ্গি দমন করেছেন। অদম্য সাহস নিয়ে তিনি বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে জাচ্ছেন। চলমান উন্নয়ন, দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা অব্যাহত রাখতে আগামী নির্বাচনে আবারও আওয়ামী লীগকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে বিজয়ী করে জননেএী শেখ হাসিনার ’হাতকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান ডঃ প্রদীপ রঞ্জন কর।



