
আয়শা সাথী
অবিনস্ত পরাজিত পক্তিমালাগুলো
কালের পরিক্রমায় অটল অবস্থানে,
পরিণতি- নিবিড়ে নৈঃশব্দের কাব্যগ্রন্থ।
নিশ্চুপ নিরবতাগুলো ক্রমশ
ভাঙে চূর্ণ বিচূর্ণ পিছুটান,
পথরোধ করে গতিহীন স্মৃতিচারণ।
জানান দেয় অমোঘ উপস্থিতি
দুর্বিনীত যত হতাশার প্রহসন,
খেই হারায় সাবলীলতা, অবিরত ছন্দ পতন।
সংযত চিত্তে তাই ভাগ্য বিধাতা
মুছে চলে আগামীর হাতছানিগুলো।
নিশ্চল অচলে ঠায় স্থবিরতা
নীরব দর্শকের ভূমিকায় অবতীর্ণ,
নিরাশার বালুচরে মুখ থুবরে পড়ে
সকল চাওয়া, পাওয়া- না পাওয়া।
অসহ্য, অসহনশীল বহমান ক্ষণকাল
দমবন্ধ আর্তনাদে গুমরে মরে।
মমত্বের আবেশে সুধায় কিছু জিজ্ঞাসা—
তোমার কি মন খারাপ…?
না…তো! এড়িয়ে চলা সহস্র প্রশ্ন!
চাপা দিতে অন্তহীন অভিযোগ
নিত্য মুখোশের অন্তরালে চলে
কতই না ছলা-কলা-অভিনয়!
মুখে এক চিলতে হাসি,
হাসির অন্তরালের ছাইচাপা অভিমান!
ব্যাবচ্ছেদে ছেদ করার অব্যর্থ চেষ্টার
কেউ প্রয়োজনও মনে করে না।
জানা পর্যন্তই পরিসমাপ্তি,
ইতি টানে আগন্তুকের সব অজানা কৌতুহল…।



