জামিন পেলে সরকারি দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না কেজরিওয়াল
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের অন্তবর্তীকালীন জামিন নিয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। তবে তারা জানিয়েছে, লোকসভা নির্বাচনে দলের প্রচারে অংশ নেয়ার জন্য তাকে জামিন দেয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।
মঙ্গলবার (৭ মে) সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল-জবাব চলাকালে বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও বিচারপতি দীপংকর দত্তর বিভিন্ন মন্তব্যের মধ্য দিয়ে এমনই স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
গত মার্চে অনিয়মের অভিযোগে কেজরিওয়ালকে গ্রেফাতর করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। ভারতের ইতিহাসে প্রথম ক্ষমতাসীন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে গ্রেফতার হন তিনি। দিল্লির আবগারি নীতি সংক্রান্ত ওই মামলায় কেজরিওয়ালকে জেরা করার জন্য ৯ বার সমন পাঠিয়েছিল ইডি। কিন্তু তিনি আসেননি। এই অভিযোগে গ্রেফতার হতে হয় তাকে।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লোকসভা নির্বাচনে জামিন পেতে পারেন কেজরিওয়াল। মঙ্গলবার বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও বিচারপতি দীপংকর দত্তর বিভিন্ন মন্তব্যের মধ্য দিয়ে এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
বিচারপতিরা বলেছেন, কেজরিওয়াল স্বভাবগত অপরাধী নন, বারবার অপরাধ করার নজিরও তার নেই। তিনি নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী। এখন ভোট চলছে। তাতে প্রচারের অধিকার তার আছে। ভোট না থাকলে হয়তো জামিন দেয়ার প্রশ্ন উঠত না।
বিচারপতিরা বলেন, তাকে জামিন দিলে অন্য সংকট তৈরি হতে পারে। তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ রয়েছে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি তা সরাতে পারেন। তাই জামিন দেয়া হলেও কেজরিওয়াল মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কোনো ফাইলে সই করতে পারবেন না।
কেজরিওয়ালের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি বলেন, আবগারি নীতিসংক্রান্ত কোনো সরকারি নথিতে সই করবেন না তিনি। তবে বিচারপতিরা বলেন, ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেন, ‘আমরা চাই না, তিনি কোনো রকম সরকারি কর্তব্য পালন করুন। সরকারি কাজে কোনো রকম হস্তক্ষেপ হোক, তা আমরা চাই না।’



