
ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ জুন) রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাকে ডিবি পরিচয়ে তুলে নেওয়া হয়। তবে তাকে আটকের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি ডিবির কোনো কর্মকর্তা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা জানান, আনারের মৃত্যুর পর বেনিফিশিয়ারি হিসেবে দেখা হচ্ছে সাইদুল করিম মিন্টুকে। তা ছাড়া আনারের মেয়ে মামলার বাদী মুমতারিন ফেরদৌস ডরিনও মিন্টুকে সন্দেহভাজন হিসেবে ডিবিকে তথ্য দিয়েছেন। তাই আওয়ামী লীগের এই নেতাকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। তদন্তে কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হবে।
আনারের রাজনৈতি প্রতিপক্ষ সাইদুল করিম মিন্টুকে শুরু থেকেই আনার হত্যায় সন্দেহভাজন হিসেবে দেখছে আনারের পরিবার।
১২মে ভারতে চিকিৎসার জন্য গিয়ে নিখোঁজ হন ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার। পরে তাকে হত্যার খবর আসে। এ ঘটনায় বাংলাদেশ ও ভারতে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের স্বীকারোক্তি অনুসারে কিছু হাড় ও মাংসখণ্ড উদ্ধার হয়েছে। সেগুলো আনারের কি না তা নিশ্চিত হতে ফরেনসিক পরীক্ষা চলছে।



