
পাহাড়ের চূড়া বলতে একটা কোণ বুঝি,
ছোট ছোট হাতে আঁকা ট্রাইএংগেল।
অথচ সত্যে,
তার এক চিমটি কোণেই
বসে যায় এক শহর।
হাট বাজার,
লুক আউট,
গোটা সাতেক ক্যাফে,
বুড়ো দুটো স্কুল,
ত্রিভুজের ঢালে ঘর,
প্যাচানো রাস্তা,
রাস্তা ঘেষে ছাদ,
ছাদে গাড়ি-ঘর।
অথচ পাহাড়ের চূড়া বলতে
যেন রেলিংএ উপুর হয়ে
একশো তলা নীচে তাকানো।
যেন চূড়া খুব সেক্সি ।
যেন বেশ চনমনে।
যেমন ভাবি রডোডেন্ড্রনকে।
“থতমত শহরের রডোডেন্ড্রন”
যেনবা কতই আবেদনময়ী।
পাছে, আবেদন দমিত হয়,
তাই রডোডেন্ড্রন শুনলেও
কানে হাত চাপা দেই।
দেখি না।
শংকায়।
শৈশবের বিশ্বাসের আগুন জিয়ে থাক।
শৈশবের বিশ্বাস স্বামী সন্তান নিয়ে সুখে থাক।
তার শস্যের ভাঁড়ার পয়মন্ত হোক।
লেবুর রস যতই জল রঙা হোক,
আমার শৈশবের লেবুর আইস্ক্রিম —সবুজ।
সে না হয় সবুজই থাকুক।
“পাহাড়ের চূড়ায়
মাথার খুব কাছে”, থাকুক ইশ্বর।
সকালের হেলানো রোদে
তোমার ঝলমলে হাসিই হোক,
আমার রেডোডেন্ড্রন।



