
হোসেইন দিলওয়ার
অপ্সরা অতিথি হলে মনে হয় যেন কবুতর
বুকের ভেতর বাঁধি মনোময় কড়চার রিং,
দৃশ্যের বাহিরে থেকে আলোড়িত ছলনার মেঘে—
হঠাৎ প্লাবন আনে লোভাতুর মহিষের শিং!
তুমুল তুলনা চলে, ‘যাক বাবা বেঁচে আছি বেশ!’
কে কার বিচার করে? মানহীন এইসব পথ—
কড়চার ভরা বুকে আঁকা শুধু জরা, ব্যাধি, গিঁট;
ধোঁকার দোকানে বসে তাস খেলে শাসক সুরত।
খিদের খামিরে বসে পুজো দিয়ে আহত বকুল
ধুলোর ধোঁয়ায় ভরা অধারেই রোজ করি স্নান,
তারপর ভাবি আর ভাবি, তবে তা কেমন হবে—
একবার করি যদি পশমি বুকের দুধ পান?
অনেক অপেক্ষা শেষে ক্লেদ মাখা জীবনের পাখি,
কোথাও না-পেয়ে স্তন হয়ে যায় বিমূঢ় মোত্তাকি।



