
ড. ইউনূস-নূরজাহানের বিচার দাবির মানববন্ধনেও মব!
‘হামে কেন মরল আমাদের সন্তান/জবাব দাও ড. ইউনূস, নূরজাহান’—এই স্লোগানে চট্টগ্রাম মহানগরীতে এইচইউএম (হিউম্যানিটারিয়ান ইউনিটি উইথ মোরালিটি) আয়োজিত মানববন্ধনে কয়েকজন যুবক বাধা দেয়। ওই সময় অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের ছবিসংবলিত ডিজিটাল ব্যানার ছিনিয়ে নেয় বাধা দানকারীরা। তাদের বাধার মুখে কর্মসূচি সংক্ষিপ্ত করে ফিরে গেছেন আয়োজকরা। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরীর জামালখানে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনের সড়কে এই ঘটনা ঘটে।
তবে আয়োজকরা অভিযোগ করেছেন, চট্টগ্রামে হামে শিশুমৃত্যুর দায়ে ড. ইউনূস ও নূরজাহান বেগমের বিরুদ্ধে আয়োজিত মানববন্ধনে বাধা দিয়েছে এনসিপির সমর্থকরা।
গতকাল বিকেল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে এই কর্মসূচি পালনের জন্য কিছু সময় আগে সেখানে জড়ো হতে থাকেন আয়োজকরা। ওই সময় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে এনসিপিতে যোগদান উপলক্ষে এক অনুষ্ঠান ছিল। মানববন্ধন কর্মসূচি শুরুর কিছুক্ষণ পর সেখানে কয়েকজন যুবক গিয়ে আয়োজক ও তাতে অংশ নিতে আসা লোকজনের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ায়।
এক পর্যায়ে সবার সামনে থাকা মানববন্ধনের ডিজিটাল ব্যানার ছিনিয়ে নিয়ে পাশে ফেলে দেয় বাধা দানকারীরা। এ ব্যাপারে জানতে চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালি থানার ওসি আফতাব উদ্দিনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি। এইচইউএমের (হিউম্যানিটারিয়ান ইউনিটি উইথ মোরালিটি) আহ্বায়ক হাসান আহমেদ বলেন, ‘এনসিপির সমর্থকরা শুধু দুজনের বিরুদ্ধে কথা বলায় আপত্তি তোলে। ঢাকা, চট্টগ্রামের পর আরো ছয়টি বিভাগীয় শহরে এই মানববন্ধন কর্মসূচি আমরা পালন করব।
’ ব্যানার ছিনিয়ে নেওয়া ও বাধা দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ও চট্টগ্রাম অঞ্চল তত্ত্ব্তাবধায়ক মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ। গতকাল রাতে কালের কণ্ঠকে তিনি বলেন, ‘আমাদের দল-সংগঠনের কেউ বাধা দেয়নি। মানববন্ধন কর্মসূচিতে বাধা দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। আমরা কেন বাধা দেব? আমাদের অনুষ্ঠানে (চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব) যাওয়া-আসার পথে এ রকম কোনো ঘটনা দেখিনি। মানববন্ধন আয়োজকদের কারো নম্বর থাকলে আমাকে দিয়েন।
তাদের সঙ্গে আমরা কথা বলব।’



