
নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে শহীদ জিয়ার শাহাদাতবার্ষিকী পালিত
জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর উদ্যোগে স্মরণসভা, আলোচনা ও শ্রদ্ধা নিবেদন
শাহ্ জে. চৌধুরী
নিউইয়র্ক:
নিউইয়র্কের কুইন্সের জ্যাকসন হাইটসে জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যরা দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তাঁকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
অনুষ্ঠানস্থলে সকাল থেকেই প্রবাসীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। ব্যানার, পোস্টার ও স্মরণসভার আয়োজনের মাধ্যমে পুরো পরিবেশে একটি গম্ভীর ও শ্রদ্ধাশীল আবহ তৈরি হয়। পরে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়, যেখানে বক্তারা শহীদ জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক জীবন, মুক্তিযুদ্ধে তাঁর ভূমিকা এবং স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনে তাঁর অবদান বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।
জ্যাকসন হাইটস এলাকার বিভিন্ন বয়সী প্রবাসী বাংলাদেশিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। তরুণ থেকে শুরু করে প্রবীণ প্রবাসীরা সকলে মিলিত হয়ে শহীদ জিয়ার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। অনেকেই বলেন, দেশের বাইরে থেকেও বাংলাদেশের ইতিহাস ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের স্মরণ করা তাদের জাতীয় পরিচয়ের অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের বিকাশ, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামো গঠনে শহীদ জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। তাঁরা আরও বলেন, প্রবাসে বসবাসরত নতুন প্রজন্মকে বাংলাদেশের ইতিহাস ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব সম্পর্কে সচেতন করা এখন সময়ের দাবি।
বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, প্রবাসে জাতীয় ইতিহাস স্মরণ শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এটি নতুন প্রজন্মের মধ্যে পরিচয় ও মূল্যবোধ গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটস দীর্ঘদিন ধরেই প্রবাসী বাংলাদেশিদের অন্যতম প্রধান সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এখানে নিয়মিতভাবে জাতীয় দিবস, স্মরণসভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং রাজনৈতিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।
স্থানীয়দের মতে, এই ধরনের আয়োজন প্রবাসীদের মধ্যে ঐক্য, সংস্কৃতি এবং জাতীয় ইতিহাসের প্রতি সংযোগ আরও দৃঢ় করে।
শহীদ জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এই স্মরণসভা প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে গভীর শ্রদ্ধা, ইতিহাসচর্চা এবং ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দেয়। আয়োজকরা ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এমন আয়োজনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এবং নতুন প্রজন্মকে যুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ছবি: আলোকচিত্র সাংবাদিক নেহার সিদ্দিকী





















