
কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার ‘শিখা ইন’ হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির মধ্যে ছয়জনের মরদেহ দেশে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের নির্দেশনায় দুই সীমান্ত দিয়ে মরদেহগুলো বাংলাদেশে পাঠানো হবে।
নিহত ছয়জনের মধ্যে পাঁচজনের মরদেহ বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে এবং একজনের মরদেহ সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্ত দিয়ে দেশে আনা হবে।
বেনাপোল দিয়ে যাদের মরদেহ পাঠানো হবে, তারা হলেন কুষ্টিয়ার দেবাশীষ দত্ত, আফসানা শারমীন, শর্ণশীষ দত্ত, মো. আকরাম আলী ও সাভারের আহামেদ বাবু। আর সাতক্ষীরার এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ ভোমরা সীমান্ত দিয়ে দেশে পাঠানো হবে।
কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনার মো. খালেদ জানিয়েছেন, শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেলের মধ্যে মরদেহগুলো দেশে পাঠানোর বিষয়ে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ চলছে।
তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করা সম্ভব না হলে শনিবার (২২ আগস্ট) পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
নিহত সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের বাসিন্দা রেবতী সরকারের মরদেহ কলকাতাতেই সৎকার করা হবে। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রেবতী সরকারের ছেলে তার মায়ের মরদেহ কলকাতাতেই সৎকার করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
তবে এ জন্য পশ্চিমবঙ্গের স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি প্রয়োজন। বিষয়টি ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার ‘শিখা ইন’ হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এতে সাত বাংলাদেশিসহ মোট নয়জনের মৃত্যু হয়। নিহত অন্য দুজন ভারতের নাগরিক।



