
নাগরিকত্বের ১৫ বছর পর বাতিলের মুখে মার্কিন নাগরিকত্ব
পরিচয় গোপন ও অভিবাসন জালিয়াতির অভিযোগে আদালতের দ্বারস্থ মার্কিন সরকার
শাহ্ জে. চৌধুরী :
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রায় ১৫ বছর পর নাগরিকত্ব বাতিলের আইনি প্রক্রিয়ার মুখে পড়েছেন শিকাগোর এক ব্যক্তি। নাইজেরিয়ায় জন্মগ্রহণকারী এমানুয়েল তায়ো আকিনকুনমির বিরুদ্ধে অভিবাসনপ্রক্রিয়ায় পূর্বপরিচয় ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপনের অভিযোগ এনেছে মার্কিন ফেডারেল সরকার।
নিউজউইক-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৭ অক্টোবর দায়ের করা মামলায় সরকার দাবি করেছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নাগরিকত্ব পাওয়ার আগে অভিবাসনসংক্রান্ত আবেদনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেননি। সরকারের অভিযোগ, আগের পরিচয় ও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশসংক্রান্ত বিধিনিষেধের তথ্য গোপন করে তিনি গ্রিন কার্ড এবং পরবর্তী সময়ে নাগরিকত্ব লাভ করেন।
আদালতের নথি অনুযায়ী, আকিনকুনমি ২০১১ সালের ৮ জুন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে শপথ নেন। তবে তাঁর অভিবাসনপ্রক্রিয়ার পূর্ববর্তী ইতিহাস নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরকার এখন তাঁর নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদন করেছে।
মার্কিন আইনে প্রতারণা বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করে নাগরিকত্ব অর্জনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে আদালতের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বাতিল করা যেতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে সরকারের অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হওয়া জরুরি।
ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও নাগরিকত্বপ্রক্রিয়ায় তথ্যের যথার্থতা এবং আইনগত যাচাইয়ের বিষয়টি আবারও আলোচনায় এনেছে। দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন নাগরিক হিসেবে বসবাস করলেও নাগরিকত্ব অর্জনের সময় কোনো জালিয়াতি হয়েছিল কি না, তা আদালতের পর্যালোচনার আওতায় আসতে পারে।
উল্লেখ্য, নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদন দায়ের হওয়া মানেই নাগরিকত্ব বাতিল হয়ে যাওয়া নয়। মামলার চূড়ান্ত ফল নির্ভর করবে আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর।



