
জাগৃতি প্রকাশনীর মালিক ও প্রকাশক দীপন হত্যা মামলার চার্জশিট
রূপসী বাংলা ঢাকা ডেস্ক রিপোর্ট: প্রকাশক ফয়সাল আরেফীন দীপন হত্যা মামলায় সেনাবাহিনীর চাকরিচ্যুত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হকসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের (এবিটি) ৮ সদস্যকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দিয়েছেন গোয়েন্দা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৫ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনছারীর আদালতে চার্জশিটটি দাখিল করেন মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি দক্ষিণের সহকারী পুলিশ কমিশনার ফজলুর রহমান।
শাহবাগ থানার কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, চার্জশিটে ৮ জনকে অভিযুক্ত ও ১১ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে। ১৮ ডিসেম্বর মামলার তারিখ ধার্য রয়েছে। ওইদিন অভিযোগপত্র আমলে নেয়ার বিষয়ে শুনানি হবে।
অভিযুক্তরা হলেন- মইনুল হাসান শামীম (২৪) সাংগঠনিক নাম সিফাত ওরফে সামির ওরফে ইমরান, মো. আ. সবুর (২৩) সাংগঠনিক নাম আ. সামাদ ওরফে সুজন ওরফে রাজু ওরফে স্বাদ, খাইরুল ইসলাম (২৪) সাংগঠনিক নাম জামিল ওরফে রিফাত ওরফে ফাহিম ওরফে জিসান, মো. আবু সিদ্দিক সোহেল (৩৪) সাংগঠনিক নাম সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাব, মো. মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন (২৫) সাংগঠনিক নাম শাহরিয়ার, মো. শেখ আব্দুল্লাহ (২৭) সাংগঠনিক নাম জুবায়ের ওরফে জায়েদ ওরফে জাবেদ ওরফে আবু ওমায়ের, সৈয়দ জিয়াউল হক (৫০) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চাকরিচ্যুত মেজর বলে কথিত সাংগঠনিক নাম সাগর ওরফে ইশতিয়াক ওরফে বড় ভাই এবং আকরাম হোসেন ওরফে হাসিব (২৮) সাংগঠনিক নাম আবির ওরফে আদনান ওরফে আব্দুল্লাহ।
অভিযুক্তদের মধ্যে ৬ জনকে গোয়েন্দা বিভাগ গ্রেফতার করেছে এবং তারা প্রত্যেকেই আদালতে কার্যবিধি ১৬৪ ধারা অনুযায়ী স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। চার্জশিটে বলা হয়, দীপনকে হত্যার নির্দেশদাতা, মূল পরিকল্পনা ও নেতৃত্বে ছিলেন পলাতক সৈয়দ জিয়াউল হক। আসামি খাইরুল, আবদুস সবুর ও মইনুলকে তিনি হত্যাকাণ্ডের আগে প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন।
রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেটের ৩য় তলায় ‘জাগৃতি প্রকাশনী অফিসে ঢুকে কতিপয় অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে ফয়সাল আরেফিন দীপনের ঘাড়ের পেছনে আঘাত করে হত্যা করে। ঘটনাটি ঘটে ২০১৫ সালের ৩১ অক্টোবর আনুমানিক বেলা সাড়ে ৩টা থেকে পৌনে ৪টার মধ্যে। হত্যাকাণ্ড শেষে অফিসের অটোলক তালা লক করে পালিয়ে যায় জঙ্গিরা। এ ঘটনায় ২ নভেম্বর শ্বশুর অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের সহযোগিতায় দীপনের স্ত্রী ডা. রাজিয়া রহমান বাদী হয়ে শাহাবাগ থানায় মামলাটি দায়ের করেন।৪টার মধ্যে। হত্যাকাণ্ড শেষে অফিসের অটোলক তালা লক করে পালিয়ে যায় জঙ্গিরা। এ ঘটনায় ২ নভেম্বর শ্বশুর অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের সহযোগিতায় দীপনের স্ত্রী ডা. রাজিয়া রহমান বাদী হয়ে শাহাবাগ থানায় মামলাটি দায়ের করেন।



